Friday , 14 January 2022 | [bangla_date]

ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহাসিক গাছটি কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে, নাম জানে না কেউ!

মোঃ মজিবর রহমান শেখ,
ডালপালা ছড়িয়ে বিশাল আকৃতি ধারণ করেছে। ঘন পত্রপল্লবে দিনের বেলা এমন ছায়া হয়, যা দেখলে ক্লান্ত পথিকের শত তাড়ায়ও দাঁড়িয়ে যেতে হয়। শরীরটা একটু জিরিয়ে নিতে মন চায়। কিন্তু শতবর্ষী এই গাছের নাম স্থানীয়রা কেউ জানেন না। তাঁরা একে ডাকেন নাকিজাগাছ নামে। ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার ঢোলার হাট ইউনিয়নের বড়দেশ্বরী বাজার এলাকায় সব গাছ ছাপিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এটি। উচ্চতা প্রায় ৩৫ ফুট। শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত করে প্রায় ১৪০ বর্গফুট এলাকাজুড়ে এর ছায়া। ফল আর পাতা ডুমুরগাছের মতো। কখনো ফুল ফোটেনি।
বড়দেশ্বরী বাজার এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৮ শতকের শেষের দিকে তৎকালীন জমিদার শ্যামাশান্ত রায়বাহাদুর এই গাছের নিচে একটি হাট বসিয়েছিলেন। ঢোলার হাট গ্রামের ৭০ বছর বয়সী লোকমান হোসেন বলেন, ‘এই গাছের ফুল কখনো দেখা যায়নি। ডুমুরগাছের সঙ্গে এই গাছের পাতা ও ফলের অনেক মিল। কিন্তু ফলের আকৃতি ছোট। গ্রামের লোকজন একে নাকিজা নামে ডাকেন। তবে গাছটির প্রকৃত নাম কী, তা কেউ বলতে পারেন না। এমনকি আমাদের পূর্বপুরুষেরাও বলতে পারেননি, কারা কখন লাগিয়েছিলেন গাছটি।’লোকমান হোসেন আরও বলেন, গাছটির ফল পাখিদের প্রিয় খাবার। যখন ফল হয়, তখন এই গাছে পাখির মেলা বসে।
বড়দেশ্বরী বাজারের মুদিদোকানি ইউসুফ আলী বলেন, ‘এ গাছের পাতা উট ও মহিষ খায়। এক সময় শীত মৌসুমে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি আসত এই গাছে। তাদের কিচিরমিচিরে ভরে উঠত পুরো এলাকা। তবে শিকারিদের উৎপাতে এখন পাখির সংখ্যা কমে গেছে। গ্রামের ৮০ বছর বয়সী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা ছোটবেলায় এই গাছ যেমন দেখেছি, এখনো তেমনই আছে। বাবা-দাদাদের কাছে শুনেছি, তাঁরাও ছোটবেলায় গাছটিকে এমনই দেখেছেন। কত ঝড়-বৃষ্টি এই গাছের ওপর দিয়ে গেছে, হিসাব নেই। কিন্তু গাছটির কোনো ক্ষতি হয়নি।’বিরল এই গাছের বংশবৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবু হোসেন। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় লোকজন গাছটির নাম দিয়েছে নাকিজা। কিন্তু এর প্রকৃত নাম এখনো জানা যায়নি। এটা আসলে কোন জাতের গাছ, তা গবেষণার মাধ্যমে জানা যেতে পারে। এলাকার বয়োবৃদ্ধদের সঙ্গে কথা বলে ধারণা পাওয়া গেছে, গাছটির বয়স প্রায় ৩০০ বছরের বেশি। প্রাচীন এ গাছ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক হতে পারে। তাই কৃষি বিভাগ একে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন বলে মনে করে।’

সর্বশেষ - ঠাকুরগাঁও

আপনার জন্য নির্বাচিত

বাংলাদেশ ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টারের উদ্দ্যোগে স্কুল কলেজের ছাত্রীদের নিয়ে ক্যান্সার বিষয়ক সেমিনার

সফল নারী উদ্যোক্তা আরিফার সফলতার গল্প

দিনাজপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যানসহ ১২জনের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার বিনা প্রতিদ্ব›দ্বীতায় সাধারন সদস্য পদে ২ জন নির্বাচিত

দিনাজপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যানসহ ১২জনের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার বিনা প্রতিদ্ব›দ্বীতায় সাধারন সদস্য পদে ২ জন নির্বাচিত

পীরগঞ্জে বজ্রপাতে আদিবাসীর মৃত্যু

বোচাগঞ্জে মাসব্যাপী ফুটবল প্রশিক্ষণ ক্যাম্প- ২০২১ (বালক-বালিকা) শুভ উদ্বোধন

পীরগঞ্জে জাতীয় সংবিধান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

সাম্প্রদায়িকতার ঘৃণ্য আবর্তে শিক্ষক নির্যাতন জাতির জন্য কলঙ্কময় -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি

একই জমিতে বিভিন্ন ফল বাগান করে বছরে আয় তিন লাখ টাকা

বীরগঞ্জ সাতোর ইউপিতে আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী জাকির হোসেন রাজা প্রচারণার শীর্ষে

আজ পীরগঞ্জে গণহত্যা দিবস