রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় মোটর সাইকেল ও গরুর মালিকদের সমঝোতা করে চলতে হচ্ছে। প্রশাসন কোন উপকারে আসছেনা তাদের। চুরির ঘটনা জিডিও নিচ্ছেনা থানা পুলিশ।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, উপজেলার লেহেম্বা গ্রামে ১১জানুয়ারী রঞ্জনের ১টি আড়িয়া গরু সন্ধায় চুরি হয়। অনন্তপুর গ্রামের সাদেক আলীর ২টি গাভী সম্প্রতি চুরি হয়। গরুর কোন খোঁজ না পাওয়ায় চোরের সাথে ৭ হাজার টাকা সমঝোতা করে ভান্ডারা গ্রাম থেকে গাভী ২টি উদ্ধার করে গরুর মালিক। ১১ জানুয়ারী কাতিহার ধর্মসভা থেকে ভাংবাড়ী গ্রামের অলিন চন্দ্রের ১টি ডিসকভার ৮জানুয়ারী বলিদ্বারা বাজার থেকে আব্বাস আলী’র পুত্র সলেমান আলী ১টি হোন্ডা, প্রভাষক মনিরউজ্জামান মনির ডিসকভার ১৩৫সিসি নেকমরদ এলাকা থেকে চুরি হয়, তা আবার চোরের সাথে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ফেরৎত পায়। এভাবে এ উপজেলায় প্রায় অর্ধশতাধিক মোটর সাইকেল চোরের সাথে সমঝোতা করে ফেরৎ পেয়েছে মোটর সাইকেল মালিকরা।
এদিকে দুদিনের ব্যবধানে ধর্মগড়,বাংলাগড়,কাতিহার, নেকমরদ,বলিদ্বারা এলাকায় ৫টি মোটর সাইকেল ও ২টি বাইসাইকেল চুরি হয়েছে। ২টি গরু ১টি মোটরসাইকেল সমঝোতার মাধ্যমে উদ্ধার হলেও বাকি গুলো উদ্ধারের সমঝোতার চেষ্ঠা চলছে। চুরি প্রসঙ্গে থানায় জিডি করতে গেলে থানা পুলিশ জিডি নেন না বলে জানিয়েছেন ভ’ক্তভোগিরা ।
এব্যপারে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে এসআই বদিউদ জাম্মান বলেন, আসলে চুরির বিষয়গুলো আমরা জানিনা। আমাদের জানালে তবেই আমরা জানতে পারবো। চুরির বিষয়ে জিডি নেওয়া হয়না জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, চুরির বিষয়ে হয় অভিযোগ নতুবা মামলা নেওয়া হয়। আর কাগজপত্র হারিয়ে গেলে জিডি করা হয়।

















