Saturday , 25 June 2022 | [bangla_date]

নৌ প্রতিমন্ত্রীর চিকিৎসার অনুদান পেলেন অসহায় বীরঙ্গনা ইদু মাস্টারনি খ্যাত শিক্ষিকা

দিনাজপুর শহরের পাক পাহাড়পুর মহল্লার মরহুম মোঃ লালুর সহ ধর্মিনী বীরঙ্গনা হাসিনা বানু (৮৫) (ইদু মাস্টারনি) কে নগদ অর্থ ও গৃহ নির্মাণ করে দিয়েছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। শনিবার নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে বীরঙ্গনা হাসিনা বানুকে চিকিৎসার জন্য নগদ ২০ হাজার টাকা তুলে দিলেন দিনাজপুর শহর ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও জেলা যুবলীগের প্রস্তাবিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ রায়হান শিমুল। অসহায় হাসিনা বানু বর্তমানে তার ভাগিনা মনোয়ার আলী মানুর বাসায় বসবাস করছেন। ইতিপূর্বে হাসিনা বানু ২-৩ বার হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন। বর্তমানে তিনি অসুস্থ্য অবস্থায় বাড়িতেই বসবাস করছেন। হাসিনা বানুর এক ছেলে মাহবুব আলী ঢাকায় বসবাস করেন। বীরঙ্গনা হাসিনা বানুর বিষয়ে নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য দিনাজপুর শহর ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক ফরহাদ রায়হান শিমুলকে দায়িত্ব দেন।
উল্লেখ্য ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিতা ইদু মাস্টারনি খ্যাত শিক্ষিকা এখন ভিক্ষুক, দিনাজপুর পৌরসভায় বসবাসরত একাত্তরের নির্যাতিত এবং সর্বস্য হারানো ইদু মাস্টারনি সকলের পরিচিত মুখ। সবাই তাকে ইদু মাস্টারনি বলে চিনলেও তার পুরো নাম – হাসিনা বানু । হাসিনা বানু বা ইদু মাস্টারনির বয়স ৮৫ বছরের উর্ধ্বে। এখন তেমন একটা তিনি হাটতে বা চলাফেরা করতে পারেন না। তবে আশ্চর্যের বিষয় অসহায় ইদু মাস্টারনি কারো কাছে হাত পেতে কখনোই সাহায্য চান না, এমনকি কারো দিকে তাকিয়েও সাহায্য ও করুনার দৃষ্টি নিক্ষেপ করেন না। কেউ সাহায্য দিলে তিনি সেটি গ্রহণ করেন। দীর্ঘদিন পূর্বে তিনি রুটিন করে প্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দিনাজপুর সদর হাসপাতালের সম্মুখে দিলশাদ হোটেলের পাশেই বসে থাকতেন। হয়তো এটি তার স্মৃতিধন্য স্থান বলেই এখানে রোজ সময়মত বসেন। হাসিনা বানুর ভাগিনা মনোয়ার আলী মানু জানান, তৎকালীন মুন্সিপাড়ায় আমার খালা বসবাস করতেন। ইদু মাস্টারনি যেন একাত্তরের বিভীষিকাকে বুকে নিয়েই সদর হাসপাতালের সামনে রোজ আসেন। বিকেল ৪ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত লিলি মোড়ে বসে থাকতেন। বাড়ি ফেরার পথে শহরের পাক পাহাড়পুরে শান্তির মুদির দোকানের পাশে আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা পর্যন্ত বসে থাকবেন। তিনি বেশির ভাগ সময়ই একা একা কখনো বাংলায় আবার কখনও ইংরেজিতে কি যেন বিড়বিড় করে বলতেই থাকেন। তবে কথা বললে তিনি একটি কথা স্পষ্টভাবেই বলেন – “আমার নামে আপনারা একটা দরখাস্ত লিখে দিবেন তো”। ইদু মাস্টারনি বা হাসিনা বানু একজন উচ্চ শিক্ষিত নারী। তিনি স্বাধীনতার পূর্বে দিনাজপুর হাই মাদ্রাসা-কাম-হাই স্কুল, (অধুনা যা দিনাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়), এখানেই সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে চাকুরি করেছেন। ১৯৭১ সালে যুদ্ধকালীণ সময়ে হাসিনা বানু বা ইদু মাস্টারনি দিনাজপুর সদর হাসপাতালে নার্স হিসেবে চাকুরীরত ছিলেন। এসময়েই তার জীবনে নেমে আসে চরম বিপর্যয়। ইদু মাস্টারনি ১৯৭১ সালে হারান তাঁর স্বামীসহ তিন সন্তানকে। ইদু মাস্টারনির সেই সময়ের পুত্র সন্তানেরা হলো; তপন (১৪), স্বপন (১১) এবং কুপন (৮)।

সর্বশেষ - ঠাকুরগাঁও

আপনার জন্য নির্বাচিত

ঠাকুরগাঁও সংবাদ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর টনক নড়েছে প্রশাসনের রাণীশংকৈলে কোটিপতি অতিদরিদ্রের তালিকায়, এলাকায় আলোড়ন

৭১ এর পরাজিত শক্তিকে প্রতিহত করতে নতুন প্রজন্মদের বাঙ্গালীর চেতনা শেখাতে হবে —হুইপ ইকবালুর রহিম

​ভারতের কোচ হচ্ছেন দ্রাবিড়

সেতাবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ অাসলাম এর নিজ উদ্যোগে দূর্গা পূজা উপলক্ষে নগদ অর্থ ও বস্ত্র বিতরন

বোদা সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজে ১৯৬৮ সালের এসএসসি ব্যাচের মিলন মেলা

দিনাজপুরে সেবা প্রাপ্তি অভিগম্যতা-স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা এবং তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক পক্ষ সমর্থন সভা

পীরগঞ্জে ছাত্রলীগের প্রতিবাদ মিছিল

দুই পা হারানো রফিকুলকে আর্থিক সহযোগিতা করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মুকুল

ড্রইং স্কুল দিনাজপুর শুধু একটি ছবি আঁকার বা শিল্প চর্চার প্রতিষ্ঠান নয়-এটি একটি মানবিক আন্দোলনের অংশ

বীরগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্মিত শহীদ মিনার উদ্বোধন