Saturday , 17 August 2024 | [bangla_date]

প্রশাসন শুন্য অবস্থায় আজ থেকে হাবিপ্রবির একাডেমিক কার্যক্রম

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক পদে থাকা শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের একের পর এক পদত্যাগে অচলাবস্থা দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)।
এরই মধ্যে প্রশাসনিক ৫১টি পদের মধ্যে শিক্ষকদের মধ্যে ৪৯জন পদত্যাগ করেছেন। প্রক্টরিয়াল ও ছাত্র পরামর্শক বডি পদত্যাগ করায় শৃঙ্খলা রক্ষাসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমও অচল হয়ে পড়েছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন শিক্ষার্থীরা।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও প্রশাসনিক বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ উপাচার্য ছাড়া নেওয়া সম্ভব নয়।ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসেবেও রাষ্ট্রপতি কাউকে নিয়োগ না দেওয়ায় জটিলতা আরও বেড়েছে।উপাচার্য না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একাডেমিক কাউন্সিল, সিন্ডিকেট সভাসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোও নেওয়া সম্ভব হবে না। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্লাস শুরুর বিষয়েও যেন জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।
এক সপ্তাহ আগে হাবিপ্রবি উপাচার্য(ভিসি) পদত্যাগ করেন অধ্যাপক ড.এম কামরুজ্জামান। শুরু হয় পদত্যাগের হিড়িক। একে একে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক, ছেলেদের আবাসিক হলের সব হল সুপার পদত্যাগ করেন।তবে মাঝে কিছুদিন রেজিস্ট্রার কাজ চালিয়ে নিলেও শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি করাসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়াতে জটিলতা সৃষ্টি হতে থাকে।
জানা যায়, শুক্রবার পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর ও প্রক্টরিয়াল টিম, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার পরিচালক, আইকিউএসি, আইআরটি, পরিবহন শাখা, প্লানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট, পিআরপি পরিচালক, এক্সাম কন্ট্রোলার এবং পোস্ট গ্রাজুয়েট অনুষদের ডিন পদত্যাগ করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন হলের হল সুপারসহ দপ্তর প্রধানরাও পদত্যাগ করেছেন।
গত ১৭ জুলাই থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ওইদিন বেলা ৩টার মধ্যে আবাসিক হলসমূহ ফাঁকা করার নির্দেশ দেয়া হয়। এরপর গত ১২ আগস্ট থেকে হল খুলে দেয়ার কথা থাকলেও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ১৪ আগস্ট থেকে হল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হল খুলে দেয়ার পর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিটি হলে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ উদ্দেশ্যে সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষকদের সমন্বয়ে হলভিত্তিক টিম গঠন করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা জানায়, চলমান পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রশাসন প্রায় শূন্য হয়ে পড়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, একাডেমিক কার্যক্রম থেকে শুরু করে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অসহায়ত্ব ফুটে উঠেছে। সেশনজটের কবলের আশংকা দেখা দিয়েছে।শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাও কঠিন হয়ে গেছে। আমরা ক্লাসে ফিরতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ দিয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেন তিনি।
উল্লেখ্য,আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ৫আগস্ট রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যান হাবিপ্রবির ভিসি ড. এম কামরুজ্জামান। পরে গত ৯ আগস্ট তিনি চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।একই দিনে রেজিস্ট্রারের কাছে পদত্যাগ পত্র দেন প্রক্টর অধ্যাপক ড.মামুনুর রশিদ ও ছাত্রউপদেষ্টা অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান।এরপর প্রশাসনিক বিভিন্ন পদ থেকে পদত্যাগ করতে শুরু করেন শিক্ষকরা।

সর্বশেষ - ঠাকুরগাঁও

আপনার জন্য নির্বাচিত

দিনাজপুরে পৃথক তিনটি সড়ক দূর্ঘটনায় ৫জন নিহত এবং একজন আহত

জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম জেলা শাখার প্রতিবাদ সমাবেশ

সর্বজনীন পেনশন স্কীম নিয়ে পঞ্চগড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিয়ে মতবিনিময় সভা

দিনাজপুরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বীরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঠিকাদার সমিতির স্মারকলিপি প্রদান

কাহারোলে অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার  ক্ষতিকর গাছের চারা ধবংস

কাহারোলে অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার ক্ষতিকর গাছের চারা ধবংস

ফুলবাড়ীতে জামায়াতের বাছাইকৃত কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সাতোর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার মাঝি হতে চান বাবু

রাণীশংকৈলে সড়ক ঘেঁষে মুরগীর লিটারের স্তুপ

আটোয়ারীতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা