Thursday , 21 November 2024 | [bangla_date]

ইউটিউব দেখে মহিষ খামারে স্বাবলম্বী অনার্স পাশ আশরাফুল

চাকরির পিছনে না ছুটে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যম ইউটিউব দেখে মহিষ পালন করে সবার কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে দাড়িয়েছেন যুবক আশরাফুল ইসলাম।এখন সে অনেক হতাশা ও বেকার যুবকের কাছে আশার আলো।
অনার্স পড়ালেখা শেষে চাকরির পিছনের ছুটতে ছুটতে হতাশাগ্রস্থ আশরাফুলের চাকরি দেখা না মিললেও ইউটিউব দেখে মহিষ পালন করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার মোহনপুর ইউপির দক্ষিণ পলাশবাড়ী গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা আশরাফুল ইসলাম এখন এলাকার তরুণদের কাছে অনুকরণীয়।
আশরাফুল গত ৪বছর আগে গরু পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন রোগবালাই ও গো খাদ্যের দাম বেশি থাকায় প্রতিবছরে লোকসানের মুখে পড়েন। পরে তাই তথ্য প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ইউটিউব দেখে মহিষ পালন করেই সফলতার দেখা মিলে। এরপর আর পিছনে ফিরতে হয়নি। প্রথমে তিনি দুইটি মহিষ দিয়ে খামার শুরু করে পর্যায়ক্রমে বর্তমানে তার খামারে বড় বিভিন্ন জাতের ৮টি মহিষ রয়েছে। প্রতিটি মহিষের মুল্য ২লক্ষ টাকা থেকে ২লক্ষ ৫০হাজার টাকা। বর্তমানে খামারে সব মিলে ২০লক্ষ টাকার মূল্যের মহিষ আছে এবং যা থেকে তিনি বছর শেষে ৮ লক্ষ টাকার মতো লাভ করেন। সে মহিষ বিক্রি ছাড়াও মহিষের বর্জ্র ও দুধ বিক্রি করেও আয় করেন।
এ ব্যাপারে খামারি আশরাফুল ইসলাম বলেন, মহিষ পালন করে প্রতিবছরে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা আয় হয়। মহিষগুলো উত্তরবঙ্গের কেনাবেচার সবচেয়ে বড়হাট ঐতিহ্যবাহী ঢেমঢেমিয়া কালি মেলায় কেনা বেচা করি। প্রতিবছরে ১০-১৫দিন এই মেলায় মহিষ কেনা-বেচা হয়। এই মেলায় প্রতিবছরে খামারে পালনকৃত মহিষগুলো বিক্রির জন্য নিয়ে বিক্রি করি এবং খামারে মহিষ পালনের জন্য সেখানেই বিভিন্ন জাতের মহিষ ক্রয় করি যা পরবর্তী বছরে বিক্রি করি। এভাবে বছর শেষে প্রতিটি মহিষে ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা লাভ হয়।
তিনি আরও জানান, মহিষ পালনে যেমন লাভ আছে, তেমনি খরচ হয় মহিষ মোটাতাজাকরণে খাদ্য যেমন খড়,ভূসি, চপর,ঔষধসহ অন্যান্য খাদ্যে। তবে খাদ্যে খরচ কমাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেয়। মওসুমে ভুট্টা গাছের ডগা খড় কাটা মেশিনে কেটে সংরক্ষণ করে রেখে দেয়। খড়, সবুজ ঘাস, ভূষির পাশাপাশি এটিও খাওয়াই, ফলে মহিষের খাদ্যে তেমন খরচ নেই।আবার খামার হতে মহিষের বর্জ্য জৈব সার হয় সেটি আমার কৃষি জমিতে দিয়ে ফসল ফলাই। পাশাপাশি বছরে মহিষের বর্জ্য বিক্রি করেও ১ লক্ষ টাকা আয় হয় এবং মহিষের দুধ বিক্রি করেও আয় করি। তাই আমাকে দেখে এলাকার অনেক যুবক মহিষ পালন করার উদ্যোগ নিয়েছে।
খামার দেখতে আসা সুমন ইসলাম জানান, আশরাফুল ইসলাম পড়াশোনা শেষ করে মহিষ পালনে বেশ স্বাবলম্বী হয়েছে। তাই তার খামার দেখতে ও পরামর্শ নিতে এসেছি মহিষ পালন সম্পর্কে। আমিও চিন্তা ভাবনা করছি মহিষ পালনে।
এ ব্যাপারে বীরগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো.ওসমান গনি বলেন, বীরগঞ্জ উপজেলা ৯৫টি খামারে ১৩০১১টি মহিষ আছে। বর্তমানে মহিষ পালনে খামারিরা লাভবান হচ্ছে। মহিষের আকার আকৃতির পরিমাণ বেশি হওয়ায় মাংসের ও দুধের পরিমান বেশি হয় এবং মহিষের মাধ্যমে ভোক্তাগণ প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে পারবে আশা করি। এ লক্ষ্যে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে।

সর্বশেষ - ঠাকুরগাঁও

আপনার জন্য নির্বাচিত

বীরগঞ্জে প্রমিলা প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

সমন্বয়কদের আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির হুমকির প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

বীরগঞ্জে আউটসোর্সিং বিষয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

পঞ্চগড়ে ব্যতিক্রমি ফুটবল টূর্নামেন্ট বিহাতা দলকে ৫-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ঢেনা দল

হরিপুরে ইউপি সদস্যসের বাড়িতে দুধর্ষ চুরি

সেতাবগঞ্জে প্রকাশ্যে ও স্বচ্ছ পক্রিয়ায় কৃষি ঋণ বিতরন মেলা

ভারতে মুসলিম হ’ত্যা ও মসজিদ-মাদরাসা ভাং’চুরের প্রতি’বাদে চিরিরবন্দরে বি’ক্ষোভ সমা’বেশ

শেখ হাসিনা থাকলেই দেশ ভালো থাকবে-টিটো দত্ত

নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে সরকারের উন্নয়ন ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি

প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও এমপিওভূক্তিকরণসহ ১১দফা দাবীতে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন