প্রাণি চিকিৎসায় জুনোসিসের গুরুত্ব শীর্ষক প্রশিক্ষণে ড. আশিকা আকবর তৃষা
প্রকৃত ও সঠিক নিয়মে প্রাণির রোগ সনাক্ত
করতে পারলে মানুষ সুরক্ষিত থাকবে
সোমবার বালুবাড়ীস্থ জেলা ভেটেরিনারী হাসপাতালের আয়োজনে ৪র্থ তলার হলরুমে দিনব্যাপী “অসুস্থ্য প্রাণি থেকে নমুনা সংগ্রহ, সংরক্ষণ প্রেরণ, ল্যাবরেটরিতে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় জুনোসিসের গুরুত্ব”- বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা ভেটেরিনারী অফিসার ড. আশিকা আকবর তৃষার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. মোঃ আব্দুর রহিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ডাঃ মাহফুজা খাতুন। প্রশিক্ষণে ভেটেরিনারী ল্যাব প্রাকটিসঃ ইকুইপমেন্ট হ্যান্ডেলিং ও জুনোসিস ম্যানেজমেন্টের উপর আলোচনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ গোলাম কিবরিয়া। অসুস্থ্য প্রাণি থেকে নমুনা সংগ্রহের শতর্কতা সমূহ নিয়ে আলোচনা করেন জেলা ভেটেরিনারী হাসপাতালের ভ্যাটেরিনারী সার্জন ডাঃ এম.এ জলিল। রোগ নির্ণয় আল্ট্রাসনোগ্রাফির ভ‚মিকা ও রিপিট ব্রিডিং এর সমস্যা সমূহ নিয়ে আলোচনা করেন হাবিপ্রবি’র ভেটেরিনারী ও এনিমেল সায়েন্স বিভাগের প্রফেসর ড. বেগম ফাতেমা জোহরা। পোষা প্রাণি থেকে নমুনা সংগ্রহের জুনোসিস শতর্কতা নিয়ে আলোচনা করেন জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ট্রেনিং অফিসার ডাঃ মোঃ আমবার আলী তালুকদার। সঠিক রোগ নির্ণয় এর জন্য প্রাণি থেকে নমুনা সংগ্রহ ও গবেষনাগারে প্রেরণে ধাপ সমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও জেলা ভেটেরিনারী অফিসার ড. আশিকা আকবর তৃষা। তিনি বলেন, যেসমস্ত রোগ প্রাণি থেকে মানুষের শরীরে আসে তাকে জুনোসিস বলে। যে সকল প্রাণির দেহে করোনা, জলাতঙ্ক, নিপা, এনথ্যাক্স, বার্ডফ্লু’র মত রোগ থাকে তাদের শরীর থেকে সঠিকভাবে ও প্রকৃত নিয়মে নতুনা সংগ্রহ করতে পারলে উক্ত রোগের কারণে মানুষ আক্রান্ত হবে না এবং সুরক্ষিত থাকবে। উক্ত প্রশিক্ষণে ১৩ উপজেলা হতে আগত ১৩ জন ভেটেরিনারী সার্জ অংশগ্রহণ করেন। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন ভেটেরিনারী সার্জন ডাঃ আব্দুস সালাম।