Sunday , 30 November 2025 | [bangla_date]

কাহারোলে ধানের অভাবে ১৩৯টি চালকল ও চাতাল বন্ধ

দিনাজপুরের কাহারোলে ধানের অভাবে ১৩৯টির মধ্যে ১১৮টি চালকল ও চাতালের বন্ধ থাকায় এই পেশায় নিয়োজিত শ্রমিকেরা এখন দুর্দিন। অত্র কাহারোল উপজেলায় ধানের অভাবে প্রায় ১১৮ টি চাল কল ও চাতাল বন্ধ থাকছে বছরে অর্ধেক সময়। ফলে এই পেশায় নিয়োজিত ১৫শতর অধিক শ্রমিক কর্মচারী বেকার হয়ে অতি কষ্টে জীবন অতিবাহিত করছেন পরিবার পরিজন নিয়ে। মিল চাতাল বন্ধ থাকার কারণে মিল মালিকদের বিপুল অংকের টাকা লোকশান গুনতে হচ্ছে। চাল কল মালিক সুত্রে জানা গেছে, ইরি-বোরো মৌসুম ও আমন মৌসুমে ধান কাটা শুরু হলে চাল কলগুলোতে রাত দিন চলে ধান সিদ্ধ করা,শুকানো ও ভাঙ্গানোর কাজ চলত। এই সময় কাহারোল উপজেলা থেকে প্রতিদিন শতাধিক ট্রাক যোগে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চাল পাঠাতেন মিল মালিকরা। বর্তমানে এখন চাল পাঠাতে পাচ্ছে না ওই সব মালিকরা। কেন না আগের মতো পর্যাপ্ত ধান সরবরাহ নেই আর যদি বা ধান পাওয়া যায় ধানের দাম বেশী পড়ে লাভ একটা বেশী থাকে না। কাহারোল উপজেলার হাটবাজার গুলোতে বর্তমানে প্রকার ভেদে প্রতি মণ হাইব্রীড মোটা ধান বিক্রি হচ্ছে ১২শত ২০ থেকে ১৩শত ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দামের কারণে অনেক ব্যবসায়ী মিল চাতালের ব্যবসা বাদ দিয়ে অন্য ব্যবসায় নেমে পড়েছেন তারা। বর্তমানে মিল চাতালের ব্যবসায় লোকশানের দায়ে মিল চালকল ও চাতাল মালিকেরা অনেক মিল চাতাল বন্ধ করে অন্য ব্যবসায় ঝুঁকেছেন। উপজেলা রসুলপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের মিল চাতাল ব্যবসায়ী লঙ্কেশ্বর রায় জানান, চালকল ও চাতালে লোকশান দিতে দিতে পুজি শেষ হয়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে চাতাল ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ দিকে গড়েয়া হাটের আরেক মেসার্স রফিক নামক হাসকিং মিলের চাতালে কাজ করা কর্মচারীদের স্বামী পরিত্যক্ত রহিমা বেগম জানান, আগে যে টাকা রোজগার হতো এখন তা হচ্ছে না। ৩ ছেলে ২ মেয়েকে নিয়ে দিন চালানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে। অপরদিকে শ্রমিক আব্দুস সালামসহ আরো অনেকেই জানান, তারা শুধু ধান সিদ্ধ করা শুকানো ও ভাঙ্গানোর কাজ করে থাকেন। তারা বলেন আগে মিল চাতালে কাজ করে প্রতিদিন এক এক জনের আয় হতে ৪শত থেকে ৫শত টাকা, এছাড়াও চালের খুদ ও গুড়াও মিলতো। তা দিয়ে খাওয়া চলতো। কিন্তু এখন পেটের ভাত জোগাড় করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তাই বাধ্য হয়ে এ পেশা ছেড়ে আমরা শ্রমিকরা অন্য পেশায় চলে যেতে বাধ্য হচ্ছি। উপজেলার চাল কল মালিক সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, চাল কল ও চাতালের ব্যবসা এখন আর আগের মতো নেই বললেই চলে। কারণ ধানের দাম অনেক বেড়ে গেছে। চাহিদা অনুযায়ী ধান পাওয়া যাচ্ছে না। এদিকে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (অঃদা) মোঃ মাসুদ রানা জানান, এই উপজেলায় ১৩৯ টি মিল চাতাল ছিল। এখন আমাদের রেকর্ড পত্র যাচাই-বাচাই করে দেখা যায় যে, ১৩৯ টি হাসকিং মিলের মধ্যে ২১টি মিল ও চাতাল চালু অবস্থায় রয়েছে, যা আমাদের খাদ্য বিভাগের সাথে প্রতি বছর চাল সরবরাহ করার জন্য চুক্তি বদ্ধ হয়ে থাকেন।

সর্বশেষ - ঠাকুরগাঁও

আপনার জন্য নির্বাচিত

পীরগঞ্জে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দরদ্রি-অসহায়দের মাঝে সেমাই চিনি বিতরণ

বোচাগঞ্জে আগাম আলু উত্তোলন শুরু, ভালো ফলনে স্বস্তি

উৎসবমুখর পরিবেশে বীরগঞ্জের ১৬১টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু

হরিপুরে স্বাভাবিক প্রসব সেবা জোরদারকরণ অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

দিনাজপুরে ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির বিক্ষোভ

বন্ধুদের হাতে প্রাণ গেল মিলনের, কথিত প্রেমিকাসহ গ্রে-প্তার ৩

বঙ্গবন্ধু কন্যার পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে ক্রীড়াঙ্গন —হুইপ ইকবালুর রহিম

পঞ্চগড়ে বিশ্ব এইডস দিবস পালিত

বীরগঞ্জে মুসলিম এইড বাংলাদেশ আধুনিক পদ্ধতিতে গরুপালন কর্মশালা