কাহারোল (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা সদরের প্রাণ কেন্দ্র সংলগ্ন অবস্থিত কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে বর্তমানে রয়েছে ২ জন ডাক্তার। এ দিয়ে চলছে উপজেলাবাসীর চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে পর্যাপ্ত পরিমানে রয়েছে ঔষধ পত্র। কিন্তু রয়েছে ডাক্তারের অভাব। প্রয়োজনীয় জনবল ছাড়াই ৩১ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি থেকে উন্নতি করা হয় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। প্রয়োজনীয় ডাক্তারের অভাবের কারণে অনেকেই কাংখিত সেবা না পেয়ে বাধ্য হয়ে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলা-শহরের বিভিন্ন ক্লিনিকে রোগী ও স্বজনেরা ছুটে যেতে দেখা যাচ্ছে। অত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে অ্যানেস্থেশিয়া ও গাইনী বিশেষজ্ঞ না থাকায় সিজার হচ্ছে না স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে। তাছাড়া বিশেষজ্ঞ সার্জন না থাকায় ছোট-খাটো অপারেশন করাতে পারছে না স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি মূলত ৩১ শয্যা ছিল প্রয়োজনীয় চিকিৎসক-কর্মচারী সংকটে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছিল। এমন পরিস্থিতির মধ্যে গত ২০২১ সালে প্রয়োজনীয় জনবল ও সুযোগ সুবিধা ছাড়াই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যায় উন্নতি করা হয়ে থাকে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ঘুরে দেখা যায়, আল্ট্রাসনোগ্রাম, ইসিজি, এক্স-রে, গর্ভবতী নারীদের অস্ত্র-পাচার সহ যাবতীয় প্যাথলোজিকাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা সুবিধা থাকলেও নেই তেমন জনবল। জনবল কাঠামো অনুযায়ী ১৬জন চিকিৎক প্রয়োজন হলেও আছেন ২জন। গুরুত্বপূর্ণ ৩টি বিভাগে সার্জারি, মেডিসিন ও গাইনিতে কোন বিশেষজ্ঞ নেই। গত বৃহস্পতিবার ২২ জানুয়ারী’২৬ সকাল ১১টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বহিঃ বিভাগের সামনে চিকিৎসা নিতে ভীড় দেখা যায় অনেককেই। ২টি কক্ষে রোগী দেখে ব্যবস্থা পত্র দিচ্ছেন ২জন চিকিৎক। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, গড়ে দৈনিক জরুরী ও বহিঃ বিভাগে ৪শত থেকে ৪৫০জনের অধিক রোগী সেবা নিতে আসে। অত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে প্রতি দিন রোগী ভর্তি হয়ে থাকেন ৩৫ থেকে ৪০জনের মতো। পাশাপাশি দৈনিক ৩/৪ জন গর্ভবতী নারীদের নরমাল ডেলিভারি হয়ে থাকে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ডাক্তার সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে এ প্রতিনিধির কথা হলে, তিনি জানান, ডাক্তার সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা পত্রের মাধ্যমে, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বা সরাসরি জেলা ও বিভাগীয় মিটিংয়ের মাধ্যমে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অনেকবার আমার পক্ষ থেকে অবগত করা হয়েছে।

















