দিনাজপুর সরকারী শিশু পরিবারের এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে
বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার
পুরষ্কার বিতরণ করলেন জেলা প্রশাসক
দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেছেন এতিম শিশুদের যতœ ও পরিচর্যা করতে পরলে পড়াশোনার মাধ্যমে তারা এক একজন সোনার টুকরো মানুষ হতে পারে। তারাই একদিন দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখবে বলে আমার বিশ্বাস। সকলের সহযোগিতায় আমরা এই প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশের মধ্যে একটি মডেল প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।
৬ ডিসেম্বর মোঙ্গলবার সরকারী শিশু পরিবার (বালক) রাজবাটি, দিনাজপুরের আয়োজনে প্রতিবছরের মতো এবারো তাদের কার্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে অভ্যন্তরীন বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করতে গিয়ে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন। জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ আব্দুল মতিন এর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সরকারী শিশু পরিবার (বালক) এর উপতত্বাবধায়ক মাহমুদা নুসরাত জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তমলিকা পাল, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ মুনির হোসেন, শহর সমাজসেবা অফিসার মোঃ মাইনুল ইসলাম ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার গোলাম আযম। সভাপতির বক্তব্যে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ আব্দুল মতিন বলেন, পূর্বের চেয়ে সরকারী শিশু পরিবার (বালক) প্রতিষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় অনেক উন্নয়ন হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক চর্চা ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে। সরকারী নীতিমালার মাধ্যমে তাদের যতœ সহকারে পরিচর্যা করা হচ্ছে। সঞ্চালকের দায়িক্ত পালন করেন কারিগরি প্রশিক্ষক ফামিদা খাতুন।

















