Friday , 30 January 2026 | [bangla_date]

পঞ্চগড়ে দেড় শতাধিক পথশিশুকে শীতের পিঠা খাওয়ালেন ‘গরিবের বন্ধু’ অ্যাডভোকেট আহসান হাবীব

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
পঞ্চগড় জেলা সদরের হাফিজাবাদ ইউনিয়নের আহছানিয়া মিশন শিশু নগরী। এই শিশু নগরীতে স্থায়ী ঠিকানা হয়েছে সারাদেশের দেড় শতাধিক পথশিশুর। এখানকার অধিকাংশ শিশুরই নেই পরিচয়, নেই কোন ঠিকানা। সেখানের আলো বাতাসে বেড়ে উঠছে তারা। পড়ালেখা আর হেসে খেলে বড় হয়ে উঠছে তারা। দাতা সংস্থার অর্থ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টান পড়েছে তাদের খাবার-দাবাড়েও। ভালমন্দ খাওয়া এখন তাদের আর আগের মত হয়ে উঠে না। গতকাল শুক্রবার কুয়াশাভেজা সকালে এসকল পথশিশুর মূখে হাসি ফোটালেন গরিবের বন্ধু সম্মিলিত স্বেচ্ছাসেবী ফোরামের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট আহসান হাবীব সরকার। তিনি নিজ হাতে বাড়িতে তৈরী করে আনা দুধ পিঠা খাওয়ালেন এসব পথশিশুদের। পিঠা খেয়ে বেশ তৃপ্তির ঢেকুর তুলেছে তারা। আর সেখানকার সেন্টার ম্যানেজার বললেন, এভাবে বিত্তবানরা এগিয়ে এলে এ সকল পথশিশু সবসময় হাসিখুশি থাকবে সাধারণ শিশুদের মতই।
এখানে আশ্রয় নেয়া পথশিশুদের অনেকেই পরিচিত সংখ্যায়। তার মানে এখানে এক নাম রয়েছে অনেক শিশু। যেমন সিলেটের শিশু রবিনকে আনা হয়েছে ওই শিশু নগরীতে। তার নাম জিজ্ঞাসা করতেই সে বলে ফেলল তার নাম রবিন চার। তার মানে সে এখানে চার নম্বর রবিন। ঢাকার কেরানীগঞ্জের ইয়াছিনের নাম জিজ্ঞেস করতেই সে বলল তার নাম ইয়াছিন দশ। এভাবে অনেক শিশুরই নাম জানা গেল সংখ্যা দিয়ে। পিঠা খাওয়ার পর তারা হেসে বলল পিঠা খেয়ে খুব খুশি হয়েছি। এখানে তো বাড়ির মত সবকিছু খাওয়ানো হয় না। এভাবে প্রতি সপ্তাহে আমাদের যদি ভালমন্দ খাবার দিত তাহলে আমরা খুব খুশি হতাম।
শিশুদের হাসি দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন শিশুনগরীর সেন্টার ম্যানেজার দীপক কুমার রায়। তিনি জানালেন, এখানে আশ্রয় নেয়া অধিকাংশ পথশিশুরই নেই বাবা-মা। আবার কিছু শিশু আছে যাদের বাবা-মা থাকলেও নেই। নেই তাদের কোন ঠিকানা। তারা কেবল তাদের জেলার নামটা বলতে পারে। এক কথায় বলতে গেলে এসব পথশিশুরা সবাই এতিম। শুরু থেকে দাতা সংস্থার অর্থায়ন থাকলেও এখন সব বন্ধ। সংস্থার নির্ধারিত টাকায় তাদের সব খরচ চালাতে হয়। তাই ইচ্ছে থাকা সত্বেও তাদের সবকিছু খাওয়ানো সম্ভব নয়। এভাবে সবাই এগিয়ে এলে এসকল পথশিশু স্বাভাবিক শিশুদের মতই বেড়ে উঠবে।
স্বেচ্ছাসেবী অ্যাডভোকেট আহসান হাবীব সরকার বলেন, এখানের শিশুরা অধিকাংশই নাম পরিচয়হীন। আজকে তাদের মাঝে এসেছি। একটু সময় তাদের সাথে থাকা। যেহেতু শীত মৌসূম চলছে, শীতের কিছু পিঠাও নিয়ে এসেছি তাদের পিঠামূক করিয়ে তাদের হাসিমূখে কথা বলার জন্য। তারা সমাজের একটি অংশ। তাদের নাম ঠিকানা নেই এমনটাই নয়। যেমন আমার সন্তান আছে বাড়িতে। তারা এখানে বড় হচ্ছে সমাজের বিভিন্ন অবেহেলিত জনপদের বাচ্চাগুলো। তাদের পাশে আমি আছি, আমরা আছি। সমাজের বিত্তবানরা সকলে যদি এগিয়ে আসে এই বাচ্চাদের পাশে দাড়ায় তাহলে মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

সর্বশেষ - ঠাকুরগাঁও

আপনার জন্য নির্বাচিত

ঠাকুরগাঁওয়ে গুচ্ছগ্রাম থেকে তৃতীয় লিঙ্গের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

তেঁতুলিয়ায় আগুনে পুড়লো বসতঘর প্রায় ১০ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি

মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি দিয়েই চলছে চৌধুরীহাট টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস মেনেজম্যান্ট কলেজ

ঠাকুরগাঁওয়ে ইএসডিও’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

হরিপুরে চেয়ারম্যান পদে রফিকুল ইসলামের মনোনয়নপত্র দাখিল

ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গীতে অবৈধভাবে মাদ্রারাসার কমিটি গঠন ও নিয়োগ বাণ্যিজ্যের অভিযোগ

দিনাজপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালকে সংস্কার করে একটি আধুনিক টার্মিনালে রুপান্তর করা হবে -সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এমপি

মলমপার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়ে অচেতন সৌরাভ,  স্থানীয়দের সহায়তায় ঘরে ফেরা

মলমপার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়ে অচেতন সৌরাভ, স্থানীয়দের সহায়তায় ঘরে ফেরা

“প্রান্তিক, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও দলিত জনগোষ্ঠীর আইনি সহায়তা সহজলভ্য করতে দিনাজপুর জেলার বিচারকবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা

পৌষের শীতে জবুথবু বীরগঞ্জে জনজীবন বিপর্যস্ত