পঞ্চগড় প্রতিনিধি
অন্তর্বতি সরকারের নৌ পরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেস্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আমরা এই সংস্কারটা চাই, শুধু আমরা চাইনা। যারা রক্ত দিয়েছে। যদি এই রক্ত বৃথা যেতে না দেই আমরা সেটার জন্য আপনারা গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেবেন। এখন এই সময় এসেছে আপনাদের হাতে। বাংলাদেশের পরিবর্তন করতে চাইলে গণভোটে হ্যাঁ তে সিল মারতে হবে। তা না হলে অতিতের অবস্থায় ফিরবে বাংলাদেশ। তিনি গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়ামে গণভোট ২০২৬ প্রচারণা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় তিনি আরও বলেন, আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ নষ্ট করা হয়েছে। ইনফেক্ট, সোসাইটির সব কিছু নষ্ট করা হয়েছে। যে করাপশন আমরা দেখেছি, আমি এখনও দেখছি। আমি এগুলো উপলব্ধি করছি মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রণালয়ের বাইরে। এটা লিখতে গেলে হাজার হাজার পৃষ্ঠা লিখতে হবে। কিভাবে ডিজিটাল হয়েছে, কিভাবে দেশের সম্পদ লুট হয়েছে। একটা কথা পরিস্কার যে, আমরা অন্তবর্তীকালীন সরকার হিসেবে এসেছি কতগুলো সংস্কারের জন্য। আমাদের মেইন দায়িত্ব ছিল রাষ্ট্র ব্যবস্থাটাকে সংস্কার করে জনগনের কাছে দেয়া। এটা করতে আমাদের এত সময় লেগেছে। আপনারা হয়তো অনেকে বলেন যে আইন শৃংখলা ঠিক নাই। আইন শৃংখলা ঠিক নাই এটা বলা যাবে না। এখন পুলিশ লাঠি মারে না, গুলি মারে না। পুলিশ যদি লাঠি মারত আর গুলি মারত তাহলে কিন্তু আইন শৃংখলা ঠিক থাকত। আমরা আসলে এরকমই। আমরা যদি নিজেরাই আইন শৃংখলা ঠিক না করি তাহলে পুলিশ ও অন্যদের পক্ষে সম্ভব না। আমরা একটি সোসাইটি তৈরী করতে চাই যেখানে এই ধরণের ভয়ভীতি প্রয়োজন না পড়ে। যেখানে আইনের শাষন হবে। যেখানে যারা পলিটিশিয়ান তারা শুরু করবেন এবং কিছু আইনের মধ্য থেকে করতে হবে। আমাদের যে সংবিধান। এই সংবিধানের এমনই অবস্থা এই সংবিধানের মাধ্যমেই একজন ডিকটেটর হয়ে যায়। আপনারা দেখেন যারা এসেছে তারা সংবিধান পরিবর্তন করেনি। বরং কিভাবে এগুলো শক্ত করা যায় সেগুলো করেছেন। অন্তবর্তীকালীন সরকারের আমাদের মূখ্য উদ্দেশ্য ছিল আমরা কিছু সংস্কার করে যাবো। সাথে সাথে যেটুকু কাজ করা যায় ততটুকু করবো। প্রত্যেকটি পলিটিক্যাল পার্টি কিন্তু এই প্রিন্সিপল রাজি হয়েছেন।
এর আগে উপদেস্টা তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন। উপদেস্টা বাংলাবান্ধা স্থল বন্দরের ইয়ার্ড ঘুরে দেখেন।















