বিকাশ ঘোষ,বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: শীতকালীন সবজি হিসেবে সাধারণত সাদা জাতের ফুলকপির আধিপত্য থাকলেও এবার বাজারে প্রচুর পরিমাণে দেখা গেল ব্যতিক্রমী রঙিলা জাতের হলুদ ফুলকপি।
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পৌরশহরের দৈনিক বাজারের বিভিন্ন সবজির দোকানে চেনা সাদা সবজির রঙিন রূপ দেখে থমকে দাঁড়াচ্ছেন ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা। উপজেলার সাতোর, ভোগনগর, মোহনপুর, পাল্টাপুর ও
নিজপাড়া ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামে রঙিন ফুলকপির চাষ শুরু করেছে চাষিরা। এ উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের আনিসুর ও সাতোর ইউনিয়নে ইব্রাহিম নামে দুই কৃষি উদ্যোক্তা তাদের উৎপাদিত রঙ্গিলা জাতের হলুদ ফুলকপি বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি করতে এনেছেন। ভালো দাম ও বাজারে চাহিদা থাকায় তারা এই নতুন জাতের ফুলকপি চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। হাটে রঙিলা জাতের হলুদ ফুলকপি প্রতি মণ ১৫ থেকে ১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ সাদা ফুলকপির তুলনায় বেশি। এক পাইকারি ক্রেতা জানান, সাদা ফুলকপির তুলনায় রঙ্গিলা জাতের ফুলকপির চাহিদা বেশি এবং দামও ভালো পাওয়া যাচ্ছে।
কৃষক আনিসুর রহমান বলেন,
‘পরীক্ষামূলকভাবে এবার ২০ শতক জমিতে প্রথমবারের মতো রঙিন ফুলকপি চাষ করেছি। এতে ভালো লাভের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।’ তিনি আরও জানান, তারা ৮ থেকে ১০ বিঘা জমিতে হলুদ রঙিলা ফুলকপির চাষ করেছেন। বাজারে ব্যাপক চাহিদা অনুযায়ী আমি হলুদ ফুলকপি উৎপাদন করে অনেক খুশি।
বীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: শরিফুল ইসলাম জানান,এবছর উপজেলায় ৫ জন কৃষক হলুদ ফুলকপি চাষ করে লাভবান হয়েছে। বর্তমানে বাজারে সাদা ফুল কপি ৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, আর হলুদ রঙের ফুল কপি ৫০ টাকা। তাই হলুদ ফুলকপির চাহিদা ভালো থাকায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।

















