প্রদীপ কুমার সাহা,সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর সাপাহার জিরো পয়েন্ট থেকে রাজশাহীগামী “স্মরণী স্পেশাল(হিমাচল) গাড়ী যার নাম্বার ঢাকা মেট্রো ব-১২-৪৯৪৪ রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজশাহীর উদ্দ্যেশে ছেড়ে যায়।
বাসের সুপার ভাইজার সিয়াম এর সাথে কথা হলে তিনি জানান- যাত্রী জয়ন্ত বর্মন গাড়িতে উঠে পেছনের সিটে বসেন; গাড়িটি বেজোড়া কাউন্টারে দাঁড়ালে এক যাত্রী টিকিট নিয়ে গাড়িতে উঠে নির্ধারিত সিটে বসতে গিয়েই বিপত্তি সেই জয়ন্ত’র সাথে।
জয়ন্তের সিট নং না থাকলেও সেখান থেকে সে উঠতে নারাজ; এই নিয়ে আমার সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং হুমকি প্রদান করেন; এর পরে “দিঘা” পার হলে যাত্রী জয়ন্ত নামার জন্য গাড়ি থামাতে বললে ড্রাইভার তার কথা না শুনে কিছুদুর গিয়ে তাকে নেমে দেন এতে তিনি রেগে অশ্লিল ভাষায় গালি দেন আমাদের।
ড্রাইভার মো: বাদল হোসেন এর সাথে কথা হলে তিনি কালবেলাকে জানান-ঐদিন রাত সাড়ে ১০টায় আমরা রাজশাহী থেকে আবার সাপাহার ফিরে আসি, এর মধ্যেই সাপাহার সার্কেল অফিস থেকে ফোন আসে গাড়ির কাগজ পত্র নিয়ে আমাকে অফিসে আসার জন্য; আমি ও আমার দুইজন স্টাফ সুরুজ ও রিপনকে সাথে নিয়ে সার্কেল অফিসে যাই; সেখানে কাগজ পত্র দেখার পরে বাসের ঘটনার কথা তুলে সহকারী পুলিশ সুপার সাপাহার সার্কেল শ্যামলী রানী বর্মন এর স্বামী জয়ন্ত বর্মন আমাকে গালমন্দ করেন এবং মাড়ার জন্য তেরে আসেন।
এসময় জয়ন্ত’র স্ত্রী সাপাহার সহকারী পুলিশ সুপার শ্যামলী রানী বর্মন তিনি তার অফিসে থাকা পুলিশকে দিয়ে এস এস পাইপ দিয়ে আমাকে পেটানো হয়;
এক সময় আমি ফ্লরে পরে গেলে আমার সাথে আসা সুরুজ ও রিপন আমাকে বাহিরে নিয়ে আসে; রাতেই আমি প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে পর দিন সমবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা নিচ্ছি। উল্লেখ্য, জয়ন্ত বর্মন(৩৫) নিয়ামতপুর বে-সরকারী কলেজে’র তথ্যপ্রযুক্তির শিক্ষক।
এব্যাপারে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত ৮টায় সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনারুল ইসলাম আনার এর সাথে কথা হলে; মামলা বা কোন অভিযোগ হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি জানান- ড্রাইভার বাদলের সাথে আমার মোবাইলে কথা হয়েছে, তাকে থানায় দেখা করতে বলেছি কিন্তু সে থানায় আসেননি এবং কোন অভিযোগও করেননি।
এবিষয়ে সাপাহার সহকারী পুলিশ সুপার সাপাহার সার্কেল শ্যামলী রানী বর্মন এর সরকারি নাম্বারে একাধিকবার ফোন করলে তিনি ফোন কেটে দেন, পরবর্তীতে আবার কল করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তার স্বামী জয়ন্ত বর্মনের ব্যবহিত মোবাইলটিও বন্ধ পাওয়া যায়।

















