দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥
সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, দিনাজপুরে কোন চাঁদাবাজ এবং মাদক ব্যবসায়ীর স্থান হবে না। অভিযোগ পেলে এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। জেলার মানুষ যেন শান্তিতে থাকতে পারে এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সবরকম পদক্ষেপ গ্রহনের কথা জানালেন সংসদ সদস্য ।
শনিবার দুপুরে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দিনাজপুরের উন্নয়ন ও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরতে গয়ে তিনি বলেন, বিগত বিএনপি’র আমলে প্রয়াত মন্ত্রী খুরশীদ জাহান হকের হাত ধরেই দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ, জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। গত ১৭ বছরে উন্নয়নের নামে লুটপাট হয়েছে। বঞ্চিত হয়েছে দিনাজপুরবাসী। আমরা আর পিছনে তাকাতে চাই না।
তিনি বলেন, দিনাজপুরে ভারী কোন শিল্প কলকারাখানা গড়ে উঠেনি। জমি অধিগ্রহন করলেও অর্থনৈতিক জোন এখনও ফাইল বন্ধী।দিনাজপুরে ২/৩ লেনের সড়ক নেই, সড়কের বেহাল অবস্থা। সবচেয়ে বড় সমস্যা সীমান্ত ঘেষা হওয়ায় মাদকের ছোবল আমাদের যুব সমাজকে ধ্বংস করছে। শিক্ষত তরুণ তরুণীরা বেকার। কর্মসংস্থানও বড় সমস্যা। দিনাজপুরে প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পেরে হাসকিং শিলগুলো বন্ধ হয়ে গেছে।
সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করেন, পৌরসভার মেয়র থাকাকালীন বিগত সময়ে আমাকে কাজ করতে দেওয়া হয়নি। তৎকালীন ফ্যাসিষ্ট সরকার বরং আমাকে সামান্য ১ কেজী চাল আত্বাসাতের অভিযোগ তুলে ঈদের মাঠ তেকে আমাকে গ্রেফতার করা হয়।
দিনাজপুর শহরের উন্নয়নের ব্যপারে বলেন কৃষিভিত্তিক অঞ্চল হিসেবে এখানে কৃষি শিল্প গড়ে তোলা হবে। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অঙ্গীকার রয়েছে দিনাজপুরে কৃষি শিল্প প্রতিষ্ঠা করা, আম লিচু জন্য বিশেষায়িত হিমাগার, অর্থনৈতিক জোন করা আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। এছাড়া নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য নারী ও কুটির হস্তশিল্প চালু করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও দিনাজপুরে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

















