Sunday , 1 February 2026 | [bangla_date]

বীরগঞ্জ সার্কেলে বিএলসি’র এজিএম: প্রকল্প ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে চরম উত্তেজনা

বিকাশ ঘোষ, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর)প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বিএলসি’র এজিএম প্রকল্প ব্যবস্থাপনা পরিচালক এর ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে জগদল মিশন সার্কেল সেন্টারে বাংলাদেশ লুথারেন চার্চ (বিএলসি) বীরগঞ্জ সার্কেলের বাৎসরিক সাধারণ সভা
অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সার্কেল চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে সার্কেলের অন্তর্ভুক্ত ৩০টি মণ্ডলীর মধ্যে ২৩টি মণ্ডলীর সভাপতি, সম্পাদক ও পালকগণ উপস্থিত ছিলেন। আয়োজিত সভায় বীরগঞ্জ সার্কেলের আওতাধীন উত্তরবঙ্গ শিশু উন্নয়ন প্রকল্প (বিডি–২০৪)–এর প্রকল্প ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। উপস্থিত কয়েকজন সদস্যের দাবি, প্রকল্প ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা এবং মণ্ডলীর সদস্যদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়েরর ঘটনা আলোচনায় আসে বলে সভা সূত্রে জানা গেছে। একই সঙ্গে মি. মনোজিত রায় ও দ্বিজেন্দ্রনাথ রায়ের বিরুদ্ধেও অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। সভায় আরও অভিযোগ করা হয়, বীরগঞ্জ সার্কেল কমিটি ও চেয়ারম্যানকে অবগত না করে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি জগদল মিশন সেন্টারে একটি সভার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সার্কেল সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ওই দিন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। বীরগঞ্জ সার্কেল চেয়ারম্যান নীলয় রায়ের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ প্রসঙ্গে উপস্থিত সদস্যদের একটি অংশ দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে “মিথ্যা অপবাদ ও ষড়যন্ত্র” করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ২ ফেব্রুয়ারি সিনোডের অন্যান্য সদস্যদের কাছে জবাবদিহি চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়।

কিছু সদস্যের মতে, প্রয়োজনে সার্কেলে কম্পাশন প্রকল্পের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

উল্লেখ্য, বিএলসি’র কম্পাশন প্রকল্পসমূহ বর্তমানে GST নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান দ্বিজেন্দ্র নাথ দাস গত ১৬ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত এক নোটিশে রেভা. মাইকেল কার্তিক রায়, বিষু রায় ও উজ্জ্বল রায়—এই তিনজনকে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের এলসিসি কমিটিতে থাকতে পারবেন না মর্মে নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করেন এবং তাদের কাছে ব্যাখ্যা চান বলে জানা গেছে।
সভায় মনোজিত রায়ের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ তোলা হয় যে, তিনি নাকি সার্কেল কমিটির অনুমোদন ছাড়া চার্চের তহবিল ব্যবহারের মাধ্যমে জগদল মিশন সেন্টারের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছেন এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। কিছু সদস্যের দাবি, তিনি একাধিক প্রকল্পের ব্যাংক হিসাবের স্বাক্ষরকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং এ প্রক্রিয়ায় আর্থিক অনিয়ম ঘটেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানা যায়নি।
এছাড়া, লক্ষীপুর বিডি–০২৪৬ প্রকল্পের শাখা ব্যবস্থাপক রতন কুমার রায় ও এলসিসি কমিটির সভাপতি বিজয় কুমার রায়ের বিরুদ্ধেও দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ আলোচনা হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট একটি ল্যাপটপ কম্পিউটার বন্ধক রেখে রতন কুমার রায় ব্যক্তিগতভাবে ৩ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন।
তবে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি এবং অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাইও সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয়ভাবে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মনোজিত রায়ের স্ত্রী সহ পরিবারের সবাই কম্প্যাশন প্রকল্পে চাকরী করে ও দ্বিজেন্দ্র নাথ দাস এর স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা কম্প্যাশন প্রকল্পে চাকরী করা সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দীর্ঘ দিন ধরে নিয়ে আসছেন বলে জানা গেছে।

সর্বশেষ - ঠাকুরগাঁও

আপনার জন্য নির্বাচিত

আফগানিস্তানে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৫০

দিনাজপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ৫দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রশিক্ষন ও প্রদর্শনী

বীরগঞ্জে মাই প্রমিস ডে পালিত

কোভিড-১৯ টিকা কর্মসূচীকে সাফল করতে ওর্য়াল্ড ভিশন বাংলাদেশ সংস্থার নানামূখী কার্যক্রম

পঞ্চগড়ে বিএসএফের গুলিতে  বাংলাদেশি কৃষক আহত

পঞ্চগড়ে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি কৃষক আহত

ঠাকুরগাঁওয়ে সচেতনতায় মাস্ক বিতরণ

নারী উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের লক্ষে সরকার কাজ করছে- মাজহারুল ইসলাম এমপি

সীমান্ত এলাকায় বিশেষ টহল, কঠোর নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার

বীরগঞ্জে তিন বছরের শি’শু ধর্ষ’ণচেষ্টার অভি’যোগে ভ্যানচালক গ্রে’ফতার

ঠাকুরগাঁওয়ে ওএমএসের আটা কালোবাজারে বিক্রি; ভ্রাম্যমাণ আদালতে ডিলারের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা !