বোচাগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি। দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার সেতাবগঞ্জ পৌরসভাধীন মখদুমপাড়ায় চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ কর্তৃক মহিলাদের গায়ে হাত দিয়ে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে রানী বেগম নামে এক গৃহবধু মহিলা।
২৪ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেতাবগঞ্জ প্রেসক্লাবে মুখদুমপাড়া গৃহবধু মহিলা রানী বেগম এক লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে তার ইলেকট্রিক ওয়ারিং এর তার চুরি হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় তার প্রতিবেশী মোঃ জয়নাল এর পুত্র জিসানকে সন্দেহভাজন ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে চুরির ঘটনা স্বীকার করে এবং সকলের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে ক্ষমা চায় । পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে মিমাংসা করা হলেও কে বা কাহারা ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশকে অবগত করে। সালিশ মিমাংসা শেষের দিকে ঘটনাস্থলে বোচাগঞ্জ থানার এস আই প্রদিপের নেতৃত্বে ৪ জন পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন। সেখানে বাদী ও বিবাদী সহ সকলের উপস্থিতিতে বিষয়টি শান্তিপুন্ন সমাধান হয়। এরপরও বোচাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান এসআই প্রদিপকে নির্দেশ দেন আসামীকে থানায় নিয়ে আসতে। যেহেতু বাদীর কোন অভিযোগ নেই সেক্ষেত্রে তারা আসামীকে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এই ঘটনায় অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে এসে এলাকাবাসীর উপর ক্ষিপ্ত হয়। তারই নির্দেশে মহিলা পুলিশ ছাড়াই ২৫/৩০ জন পুলিশ এলাকাবাসী ও মহিলাদের গায়ে হাত দিয়ে ধস্তাধস্তি করে আসামী নিয়ে যায়। পুলিশ কর্তৃক অসহায় পরিবার ও মহিলাদের গায়ে হাত দেওয়ায় এলাকাবাসী আরো ক্ষিপ্ত হয়ে একপর্যায়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমানকে অবরুদ্ধ করেন। সামান্য একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোন মহিলা পুলিশ ছাড়াই এলাকার মহিলাদের গায়ে হাত দেওয়ার বিষয়টিতে আমরা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছিনা। সাংবাদিক সম্মেলনে অবিলম্বে বোচাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমানকে বোচাগঞ্জ থাকা থেকে অপসারনের জোর দাবী জানানো হয়।

















