স্টাফ রিপোর্টার , ঠাকুরগাঁওয়ে আখ ক্ষেতে সদ্য রোপন করা আখের চারা তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা চিলারং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা চিলারং ইউনিয়নের পাহাড়ভাঙ্গা গ্রামের আশরাফ আলীর বাবা মৃত সমীর উদ্দিন ১৯৭৯ সালে চিলারং মৌজায় পঁচিশ শতক জমি ক্রয় করে ভোগ দখল করে আসছিলেন। ২০১৬ সালে ওই জমিতে মৃত সমীর উদ্দিনের শরিকরা আবাদ করতে গেলে বাঁধা প্রদান করেন একই এলাকার মোতাহার হোসেন, আকতাবুর রহমান, ফজলে রাব্বি হাফিজুর রহমান। সেই সময় সমীর উদ্দিনের ছেলে আশরাফ আলী বাদী হয়ে উপরোক্ত ব্যক্তিদের নামে ঠাকুরগাঁও সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। ওই সময় বিবাদীগণ আদালতে কোন উপযুক্ত প্রমাণ দেখাতে না পারার কারণে ঠাকুরগাঁও সিনিয়র সহকারী জজ এস রমেশ কুমার ডাগা বিবাদী গনের নামে ওই জমিতে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এরপর থেকে আশরাফ আলী ওই জমিতে মিনা বাধায় চাষাবাদ করছেন। চলতি মৌসুমে ওই জমিতে আখের আবাদ করেছিলেন আশরাফ আলী। আখের পরিচর্যা করার সময় চলতি মাসের ৪ তারিখের ট্রিপল নাইনে ফোন দিয়ে পুলিশ আনেন বিবাদী মোতাহার হোসেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঠাকুরগাঁও সদর থানার এসআই রঞ্জু। তিনি দুই পক্ষকে একত্রে বসার আহ্বান জানান। ১৩ মার্চ রোববার থানায় বসার তারিখ নির্ধারণ হয়। এর দুইদিন আগে অর্থাৎ শুক্রবার সকালে ২৫ শতক জমির সমস্ত আখের চারা তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মোতাহার হোসেনসহ বাকি বিবাদীদের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে আশরাফ আলী বলেন, বাবা-মায়ের কেনা জমি ভালো ভাবেই আবাদ করছিলাম। কিন্তু ২০১৬ সাল থেকে ঝামেলা করছেন স্থানীয় মোতাহার হোসেন, আকতাবুর রহমান, ফজলে রাব্বি হাফিজুর রহমানসহ তাদের পরিবারের লোকজন। তারাই আমার জমির আখের চারা তুলে নিয়ে গেছে। ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশকে জানালে ঘটনাস্থল প্রদর্শন করেছে পুলিশ। জমিটি থেকে আমাদের বাড়ি কিছুটা দূরে আর মোতাহার হোসেনের বাড়ি কাছে হওয়ার কারণে যখন তখন ভেজাল করেন মোতাহার হোসেন ও তার লোকজন। ফসল নষ্টের মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে অভিযোগ অস্বীকার করেন মোতাহার হোসেন। সদর থানার এসআই ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন যা ঝামেলা ছিল তা মীমাংসা করে ফেলেছি।
এ বিষয়ে সদর থানার এসআই রঞ্জু বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

















