পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আমাদের নির্বাচনী অঙ্গকার এবং প্রতিশ্রুতি মোতাবেক আমরা প্রথমেই বলেছিলাম যে এক হাজার কিলোমিটার খাল আমরা খনন কর্মসূচি সম্পন্ন করব। তবে এখন আমরা লক্ষ করছি দৃশ্যমান হবে ১২০০ কিলোমিটারের উপরে। এর বাইরে আগামী পাঁচ বছরে আমাদের যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ২০ হাজার কিলোমিটার, তার চেয়ে বেশি সম্পন্ন করতে সক্ষম হব। খাল খনন কর্মসূচি একটি আন্দোলন, এটি একটি বিপ্লব।
রবিবার দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোলের বলরামপুর সাহা পাড়ায় একটি খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেব তার জীবদশায় এই কর্মসূচি স্বেচ্ছায় শ্রমের ভিক্তিতে শুরু করেছিলেন। এখন আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধন কর্মসূচির মাধ্যমেই এই কর্মসূচি ঈদের আগেই শুরু করতে যাচ্ছি। আগামী মঙ্গলবার মিটিং রয়েছে। সেখানে ঠিক করা হবে প্রধানমন্ত্রী কোনো কোনো জেলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকবেন। আমরা আশা করছি দিনাজপুর জেলায় প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত হয়ে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচন ইস্তেহারে ছিল আমরা সরকার গঠন করলে পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী খাল জলাশয় খনন করব। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাহারোলের বলরামপুর সাহা পাড়ায় ১২.২০কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি আগামী ১৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে সারাদেশে একযোগে প্রতিটি জেলা, উপজেলায় বিভিন্ন মন্ত্রী এমপিরা স্ব স্ব এলাকায় খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। এরই মধ্যে দিয়ে গণজাগরণ তৈরি করতে চাই। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম দিনাজপুরের এই খালকে বেছে নিয়েছেন। সারাদেশে খাল খননের পর ২৫কোটি বৃক্ষ রোপন করা হবে বলেও জানান তিনি।
পরিদর্শনের সময় দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম, রংপুর রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম,এসপি জেদান আল মুসা দিনাজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

















