এই পাম্পে তেল শেষ শুনে ছুটছে আরেক পাম্পে। একদিন এই পাম্পে তো আরেকদিন অন্য পাম্পে যেতে হচ্ছে। এভাবে পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় বিভিন্ন পাম্প এ ছুটাছুটি করতে দেখা গেছে মোটরসাইকেল চালকদের। দিনাজপুর তেল সংকটে দিনাজপুরের পেট্রোল পাম্পগুলো। পেট্রোল অকটেন চালিত যানবাহনগুলোর চালকরা পড়েছে বেশি বিপাকে। তেলের জন্য অনেক জায়গায় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে।
এদিকে রেশনিং পদ্ধতিতে কোন কোন ফিলিং স্টেশন তেল দিলেও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা নজরদারিতে রেখেছে। পেট্রোল অকটেন না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালকসহ সাধারণ মানুষ।
মঙ্গলবার ভোর থেকে দিনাজপুর শহরের ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রোল ও অকটেন না থাকায় সরবরাহ বন্ধ থাকতে দেখা যায়। এতে বিপাকে পড়েছেন জ্বালানি তেল ব্যবহারকারী যানবাহন চালকরা। তবে সকল ১১টা থেকে কোন কোন ফিলিং স্টেশন থেকে ২ লিটার করে তেল দিতে দেখা গেছে।
ভুক্তভোগী চালকরা জানান, ভোর থেকে পাম্পে তেল বিক্রি বন্ধ থাকায় তারা তেল নিতে পারছেন না, এতে দূর-দূরান্ত থেকে যারা আসছেন তাদের বেশি বিপাকে পড়তে হয়েছে।
এদিকে ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা জানান, আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দ্রুত মজুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ায় সংকট তীব্র হয়েছে।
পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সভাপতি হাবিবুর রহমান শাহীন সাংবাদিকদের বলেন, একটি ট্যাংক লরির ধারণক্ষমতা ৯ হাজার লিটার কিন্তু পার্বতীপুর ডিপো থেকে মাত্র তিন হাজার লিটার দেওয়া হচ্ছে। যা পর্যাপ্ত নয়।
পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেল বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানিয়েছেন পেট্রোল পাম্প মালিক গ্রুপ।














