বোচাগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি।। বাংলাদেশের বাজারে রমজান এলেই হুট করে জিনিসপত্রের মুল্য বেড়ে যায়। রমজানের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সাধারণ ক্রেতা সাধারণের হাতের লাগালের বাইড়ে চলে যায়। ভাবটা এমন ১১ মাসের লাভ ১ মাসের পুরণ করতে হবে। যেমন বোচাগঞ্জ উপজেলার সকল বাজারে প্রকার ভেদে লেবুর হালি ৪০/৬০টাকা যা কি-না রোজার আগে ছিল ১২ টাকা হালি। ১৫ টাকার শসা ১ম রোজা থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এই দেশের হাজারো ব্যবসায়ীদের চিন্তা চেতনা কে পিছনে ফেলে ২শত প্রকারের ও বেশী প্রয়োজনী সামগ্রী মাত্র ১ টাকা লাভে বিত্রয় করা হচ্ছে।
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলায় সুপরিচিত নাম সুমন স্যার। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এস এ ট্রেডার্সে পবিত্র রমজান মাস থেকে শুরু করেছেন মাত্র ১ টাকা লাভে যে কোন নিত্যপণ্য সামগ্রী বিক্রয়। যেমন সেমাই (খোলা), দেশী ছোলা, চিনি, সোয়াবিন তৈল, মুড়ি, ডিম ও ঘড় গিরোস্তির প্রয়োজনী চাল, ডাল, তেল, লবনসহ সকল সামগ্রী ১টাকা লাভেই বিক্রয় করা হচ্ছে।
ক্রেতা শেখ কামাল বলেন, এখানে পণ্য কিনে স্বস্তি পাওয়া যায়, দামাদামির ঝামেলা নেই এবং অন্যান্য দোকানের তুলনায় দাম কম। তিনি জানান, গত রমজানেও এখান থেকে কেনাকাটা করেছেন এবং এ ধরনের উদ্যোগ জনসাধারণের জন্য উপকারী।
আরেক ক্রেতা মোজাম্মেল হক বলেন, এমন উদ্যোগ শুধু রমজান মাসেই নয়, সারা বছর চালু থাকলে সাধারণ মানুষের আরও উপকার হতো।
জলিল আলী নামে এক ক্রেতা বলেন, ১টাকা লাভের দোকানে মালপত্র কিনে অনেক শান্তি পাচ্ছি, কোন দামদর করতে হয় না। অন্যান্য দোকানের চাইতে দাম অনেক কম। রিক্সা চালক আমজাদ হোসেন বলেন, এরকম দোকান বারোমাস চালাইলে ভালো হয়, তাইলে জনিসপত্র কিন্না ঠকুম না। বর্তমানে সেতাবগঞ্জ পৌর শহরে এস এ ট্রের্ডাস সুমন স্যারের দোকানটি ১ টাকা লাভের দোকান বলেই বেশী পরিচিতি লাভ করেছে।
এস এ ট্রেডাসের স্বত্তাধীকারী মোঃ নাজমুল ইসলাম (সুমন স্যার) বলেন, হালাল ব্যবসাই হচ্ছে উত্তম ব্যবসা। আমি ১১ মাস হালাল ব্যবসা করে যে আয় রোজগার করেছি তা দিয়ে ১ মাস অর্থাৎ রমজান মাস চলতে পারবো ইনশাল্লাহ। তাই আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ২শত এর অধিক পণ্য সামগ্রী পহেলা রমজান হতে মাত্র ১ টাকা লাভে বিক্রয় করছি।
তিনি জানান, কয়েক বছর আগে এক সড়ক দুর্ঘটনার পর মানুষের কল্যাণে কিছু করার চিন্তা থেকেই এই উদ্যোগের শুরু।

















