আমদানী নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশে গমের চাহিদা পুরনে হাই ব্রীড গমের জাত গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখবে। ধানের পাশাপাশি ভুট্টার চাষাবাদ কয়েকগুণ বাড়লেও এই জেলায় গত কয়েক বছরে কমেছে গমের চাষ এ প্রসঙ্গে কৃষি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন একই সময় যে গমের চাহিদা কমেছে তা কিন্তু নয়। উৎপাদন কমায় বাড়তি চাহিদা পূরণে বেড়েছে আমদানি। কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভুট্টার তুলনায় বেশি সেচ খরচ, ভালো বীজের অভাব, ফলন কম, শ্রমিক সংকট ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে গম চাষে উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন কৃষকেরা।
বাংলাদেশে হাইব্রিড গম: সম্ভাবনা এবং ভাবষ্যৎ পরিকল্পনা দিনব্যাপী শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এ অভিমত প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট দিনাজপুরের আয়োজনে সোমবার বেলা ১১ টায় ইন্সিটিটিউট সেমিনার কক্ষ্যে কর্মশালায় ইনস্টিটিউট এর পরিচালক ড, আব্দুল হাকিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পাটবীজ কেন্দ্রের উপপরিচালক ড, সুলতানুল আলম,বৈজ্ঞানিক কর্মকতা ড, মাহফুজুল হক এবং ড, ইলিয়াস হোসেন , ড, আরিফুল ইসলাম।
কর্মশালায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকতা ড, আবুল আওলাদ খান।
ড, আবুল আওলাদ খান বলেন খাদ্য শষ্যের মধ্যে ধানের পর দ্বিতীয় অন্যতম ফসল। বর্তমানে বাংলাদেশে গম একটি চ্যালেঞ্জিং ফসল। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার সাথে গমের চাহিদা প্রতিবছর বেড়েই চলেছে। ফলে বিদেশ থেকে গম আমদানী বেড়েছে। গম আমদানীর চাপ কমাতে গমের উৎপাদন বাড়ানো প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ২০২২-২০২৩ সাল থেকে সুপরিকল্পিত হাইব্রিড গম গবেষনা কর্মসুচী গ্রহন করেছে।
পরিচালক ড, আব্দুল হাকিম বলেন গমের দেশীয় উৎপাদন বৃদ্বির লক্ষ্যে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট অধিকতর উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড গমের জাত উদ্ভাবনের কার্যক্রম গ্রহন
সেমিনারে গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন কৃষি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানী কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গবেষকরা অংশ গ্রহণ করেন।
















