বিকাশ ঘোষ,বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
নিষিদ্ধ ট্রাক্টরের দখলে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নের সকল রাস্তাঘাট। গ্রামীণ ও আঞ্চলিকসহ শহরের প্রধান সড়কে অবৈধ যানটি দিনের বেলায়ই বেপরোয়া ভাবে দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছ। এতে প্রতিনিয়ত বাড়চ্ছে ধূলাবালি ও রোগজীবাণু ঘটছে শব্দদূষণ। এছাড়াও এ যানটির বেপরোয়া চলাচলের কারণে একদিকে যেমন নষ্ট হচ্ছে কাঁচ-পাকা রাস্তা, অন্যদিকে প্রতিনিয়ত ঘটেই চলছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। অবৈধ এ যানের প্রতি নজর নেই বলেই চলে কর্তৃপক্ষের। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শুধুমাত্র
চাষাবাদের জন্য আমদানিকৃত এই সব ট্রাক্টর। কিন্তু এখন অবৈধভাবে
ইট, বালুসহ নানা ধরণের পণ্য পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পৌরস ভাসহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের পাড়া-মহল্লা, গ্রামীণ
রাস্তাসহ উপজেলার প্রত্যেক সংযুক্ত সড়কেই দিনরাত দুরত্বগতিতে চষে বেড়াচেছে
প্রায় ২ শতাধিক অবৈধ ট্রাক্টর।
এসব ট্রাক্টরের নেই কোনো বৈধ
রোড পারমিট। নেই কোনো
ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রয়োজন। এইসব যানের কাজে নিয়োজিত রয়েছে ১৫ থেকে ২০ বছরের শিশু-কিশোর। ট্রাক্টরগুলো অবাধে চালানোর সুযোগ পাচ্ছে
তারা। যার ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনার মত ঘটনা। স্থানীয় সরকারের কোটি কোটি টাকার রাস্তাঘাট ধবংস করছেন ট্রাক্টরের মালিক। সরেজমিন দেখা যায়, বিকট শব্দে সাদা পাউডারের মতো ধুলো উড়িয়ে ট্রাক্টরগুলো চলছে কৃষি জমির উর্বর টপসয়েল কেটে ইটভাটায় সরবরাহ এবং পুকুর, দীঘি, নালা ভরাট কাজে। আবার ইট, পাথর, বালু নিয়ে নির্মাণাধীন বহুতল মালিক কিংবা পণ্য নিয়ে শহরের কোনো ব্যবসায়ীর কাছে ছুটছে কেউ কেউ ছুটছে বাসাবাড়ির ফার্নিচার বা গাছের গুঁড়ি নিয়ে। ট্রাক্টরের চলাচল গ্রামীণ রাস্তাঘাট ভেঙ্গে চুরমার করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাচ্ছে। এবিষয় নিয়ে কর্তৃপক্ষের নেই কোনো রকম নজদারি।
বীরগঞ্জ থানার ওসি সাইফুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান,
উপজেলায় এ ধরনের যানবাহন চলাচলে বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে রয়েছে। তিনি আরও জানান, কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে এইসব ট্রাক্টরের বিষয়ে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এব্যাপারে বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুমা খাতুন জানান, বীরগঞ্জ থানার সহযোগিতা নিয়ে খুব দ্রুত এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


















