মসজিদ মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে বড় ইবাদতের স্থান।ধর্মপ্রান মুসলমানদের পদচারণায় মুখর হয়ে থাকে ২৪ ঘন্টা। মাহে রমাদানের শুরু থেকেই প্রতিটি মসজিদে সাজ সাজ রব পড়ে যায়। প্রতিদিন ইফতারের আয়োজন করে থাকে অধিকাংশ মসজিদ।ইফতারের সময়ের আগে থেকেই রোজাদার ও সেই সাথে ছোট ছোট শিশুদের কোলাহলে মুখরিত হয় মসজিদ প্রাঙ্গন। এ যেন এক স্বগীয় অনুভূতি। মসজিদের ভিতরে চলে সুমধুর কন্ঠে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত। দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট কে মসজিদের শহর বললে ভুল হবে না।ঘোড়াঘাট ইসলামি ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায় ঘোড়াঘাটে মডেল মসজিদসহ মোট ৩৯৯টি মসজিদ আছে। এর মধ্যে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে মসজিদ রয়েছে ৫৮টি। ও ৪টি ইউনিয়নে রয়েছে আরো ৩৪০টি মসজিদ। ঘোড়াঘাটে সরকারী মডেল মসজিদ ছাড়াও পৌরসভার মধ্যে রয়েছে কয়েকটি দৃষ্টনন্দন মসজিদ। ঘোড়াঘাট থানা রোডে অবস্থিত দ্বিতল বিশিষ্ট এস, কে,বাজার জামে মসজিদটি মুসল্লীদের জন্য আকর্ষনীয় একটি ইবাদতখানা। মসজিদটিতে রয়েছে সুউচ্চ একটি মিনার ও মুসল্লীদের বসার জায়গায় উন্নতমানের দামী টাইলস এর কারুকার্য।মসজিদটি দীর্ধ ১১ বছর ধরে খতিবের দায়িত্ব পালন করছেন মাওলানা মো: বায়েজিদ।তিনি আর ১০টি মসজিদের মত কোন প্রকার সন্মানি বা অর্থ নেন না। দীর্ঘ বছর থেকে তিনি অবৈতনিক হিসেবে ইমামতি করে আসছেন। তার যুপযোগী খুতবা শোনার জন্য বিভিন্ন মসজিদের মুসল্লিগন এস, কে,বাজার জামে মসজিদে নামাজ পড়তে আসেন। এছাড়াও নয়াপাড়া জামে মসজিদ,থানা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদসহ আরও কয়েকটি দৃষ্টি নন্দন মসজিদ আছে । মসজিদের শহরঘোড়াঘাট পৌরসভাসহ ৪টি ইউনিয়নে ৩৯৮টি মসজিদ ইসলামের ঝান্ডা উঁচু করে বুকে ধারণ করে আছে মুসলমানদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে।

















