প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী গবেষণা ও প্রশিক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। খালেদা জিয়াসহ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান এই পুরস্কার পেয়েছেন। আব্দুল বাকীর বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার কিসমত সৈয়দপুর গ্রামে। ঠাকুরগাঁও হাইস্কুল (বর্তমানে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়)-এর ছাত্র ছিলেন আব্দুল বাকী।
মেধাবী ছাত্র ছিলেন বাকী। ১৯৬৬ সালে এসএসসি পাশের পর তিনি ভর্তি হন বাংলাদেশ কৃষি বিদ্যালয় ময়মনসিংহে। সেখান থেকে কৃষি প্রকৌশলী হয়ে বের হন। এক সময় চাকুরি নেন BRRI তে সাইন্টিফিক অফিসার হিসাবে। চাকুরিকালীন তিনি ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএস ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। চাকুরিতে তিনি কৃষি ক্ষেত্রে নানা অবদান রাখেন। তিনি কৃষির আধূনিক অনেক যন্ত্রপাতি আবিষ্কার করেন। কৃষি যন্ত্রের পুরনো মডেল আধুনিকীকরন করেন। দেশের হাজার হাজার কৃষক এতে উপকৃত হয়। সমানতালে তিনি প্রশিক্ষণও চালিয়ে যান। তাঁর আবিষ্কৃত কৃষি যন্ত্রপাতি এখন সারা দেশে সমাদৃত। ২০০৬ সালে ড. আব্দুল বাকী ব্রি’র ( BRRI) মহাপরিচালক হন। পরের বছর অবসরে যান তিনি।
এর পরেও থেমে থাকেননি ড. বাকী। কৃষির যন্ত্রপাতির উন্নয়নে ও ব্যবহার সম্পর্কে বিভিন্নস্থানে তিনি ছুটে বেড়িয়েছেন। অবসরের পর ঢাকার উত্তরা ইউনিভার্সিটির লেকচারার হিসাবেও কাজ করেন প্রফেসর ড. আব্দুল বাকী। সরকার এবার গবেষণা ও প্রশিক্ষণে বিশেষ অবদানের জন্য তাঁর নাম স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে। আমরা তার সাফল্য ও দীর্ঘায়ূ কামনা করছি।

















