পঞ্চগড় প্রতিনিধি॥পঞ্চগড়ে জমির মালিক চুক্তিপত্রের ১৫ লাখ টাকা ফেরত দিতে টালবাহানার পাশাপাশি চা বাগানের পাতা তুলতে বাধা প্রদান করছে। পাতা তুলতে গেলে মামলার ভয়ভীতি ও বিভিন্ন হুমকি ধামকিও দিচ্ছে। এমন অবস্থায় অসহায় হয়ে হয়ে পড়েছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের জোতসাওদা গ্রামের সাব্বির হোসেন। তিনি গতকাল শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। তিনি প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার পঞ্চগড় চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডস্ট্রিজের সভাপতি বরাবরে লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সাব্বির বলেন, পঞ্চগড় পৌরসভাধীন নতুনবস্তি (রাজনগর) এলাকার আনোয়ার হোসেন ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে তার ইসলামপুর মৌজার ৩৩৩ শতক জমির উপর করা চা বাগান বন্ধক দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলে আলোচনা সাপেক্ষে তিন বছরের জন্য ২০২৩ সালের ১৩ই মার্চ ১৫ লাখ টাকার চুক্তিতে বাগানটির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ৩০০ টাকার নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্র সাক্ষর হয়। ২০২৬ সালের ১২ই মার্চ চা বাগান চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষ হয়। এরপর গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও জামানতের ১৫ লাখ টাকা ফেরত দেননি। টাকা প্রদানে টালবাহানা সহ বাগান থেকে পাতা তুলতে বাধা প্রদান করছে। ইতিপূর্বে কয়েকবার আপোষ মিমাংসায় বসা হলেও কোনো সিদ্ধান্ত মানেন নি। গত ২৮শে মার্চ সকালে সাব্বির পাওনা চাইতে যান। কিন্তু আনোয়ার টাকা দিতে অস্বীকার করে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করেন। অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন দাবি করে বলেন, চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে বাগানের ক্ষতি করেছেন সাব্বির। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।
















