বোচাগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি॥ দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার ৪টি পাম্পে এক যোগে জ¦ালানী (পেট্রোল) বিক্রয় করা হলেও প্রতিটি পাম্পে শত শত মটরসাইকেলের ভীড়। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মাইকিং ও ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়েও নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছে না মটরসাইকেল।
মঙ্গলবার সকাল ৯টা হতে উপজেলার এম আই ফিলিং ষ্টেশন ও সেতাবগঞ্জ ফিলিং ষ্টেশনে জ¦ালানী বিক্রয় শুরু করে। দুপুর ১টা হতে তুলাই ও বকুলতলা ফিলিং ষ্টেশনেও জ¦ালানী বিক্রয় করা হয়। প্রতিটি ফিলিং ষ্টেশনে শত শত মটরসাইকেলের ভীড় দেয়া গেছে। এই ভীড় কমাতে বোচাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাইকারদের বৈধ কাগজপত্র ও হেলমেট সঙ্গে রাখার আহবান জানানো হয়।
মঙ্গলবার সকালে এম আই ফিলিং ষ্টেশনে দেখা যায়, উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো. মারুফ হাসানের নেতৃত্বে চলছে ভ্রাম্যমান আদালত। কয়েকজন মটরসাইকেল মালিককে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় অর্থদন্ড দেয় ভ্রাম্যমান আদালত। তারপরও প্রতিটি ফিলিং ষ্টেশনে শত শত মটরসাইকেল এর উপচেপড়া ভীড়।
ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো. মারুফ হাসান বলেন.আমরা সরকারের নিদেশর্না মোতাবেক ভোক্তাদেরকে পেট্রোল পাম্পগুলো থেকে জ¦ালানী তেল সরবরাহ দিচ্ছি। সড়কের শৃংখলা বজায় রাখতে মটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের কাগজপত্র যাচাইয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছি। আশা করছি সব ঠিক হয়ে যাবে।
এম আই ফিলিং ষ্টেশন এর স্বত্তাধীকারী মো. আসাহক আলী জানান, গত ১৫দিন ধরে এতো মটরসাইকেল এর উপস্থিতি যা কল্পনার অতীত।এতো বাইক কোথা থেকো আসছে বলতে পারছিনা। এই চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে এবং বাড়তি টাকাও খরচ হচ্ছে। তবে ধারনা করা হচ্ছে, বোচাগঞ্জের আশেপাশের উপজেলা থেকেও বাইকাররা জ¦ালানী নিতে বোচাগঞ্জ উপজেলা আসছে।


















