বিকাশ ঘোষ, বীরগঞ্জ(দিনাজপুর)প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পল্লীতে টেলিভিশন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে সৌরভ চন্দ্র রায় (১৯) ওরফে শৈলেন নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার শিবরামপুর ইউনিয়নের মদন সাকো তাঁতীপাড়া
গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেফতারকৃত শৈলেন চন্দ্র রায় সৌরভ উপজেলার মদন সাঁকো এলাকার গুরুচরণ রায়ের ছেলে।
ধর্ষিতা ওই শিশু এলাকার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
শিক্ষার্থীর মা জানায়, আমার মেয়ে বাড়ির পাশে খেলাধুলা করছিলো। এ সময় টেলিভিশন দেখানোর কথা বলে সৈলেন তাদের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আমার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। আমার মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পাই।
পরিবারের লোকজন
মেয়েকে ভ্যানে করে বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়।
তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করাই।
আমি এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
দিবাগত রাতে শিশু কন্যার পিতা মুঠুন বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করলে পুলিশ ধর্ষক সৈলেন ওরফে সৌরভ কে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করে।
এ ব্যপারে অভিযুক্ত সন্দেহভাজন সৈলেনের বাবা গুরুচরন বলেন, ঘটনা সত্য নয়, আমার ছেলে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী। মাত্র কিছুদিন পুর্বে ঠাকুরগাঁও মানসিক রোগ নিরাময় কেন্দ্র হতে চিকিৎসা শেষে বাড়িতে আনা হয়েছে, সে এমন জঘন্য কাজ করতে পারে না। এটি আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করা।
তিনি তার পুত্রের মানসিক রোগের চিকিৎসাপত্র সাংবাদিকদের প্রদর্শন করেন। ধর্ষন মামলায় গ্রেফতার হওয়া শৈলেনের মা কান্না জনিত কন্ঠে একইভাবে তার ছেলে নির্দোষ দাবী করেন। প্রতিবেশী বিমল, প্রফুল্লসহ স্থানীয় কেউ কেউ তাদের স্বপক্ষে বললেও অনেকে ভিন্নমত প্রশন করেছেন।
বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার নিশ্চিত করে বলেন, এতদ্ব সংক্রান্ত
থানার মামলা নং-০৩ ধারা ৯(১) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশােধনী অধ্যাদেশ ২০২৫) মামলাটির তদন্তভার এসআই মোঃ আতাউর রহমানের উপর ন্যাস্ত করা হয়েছে।


















