• শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঘোড়াঘাটে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার নারী ঐক্য পরিষদের আয়োজনে দুঃস্থ নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বøক ও বাটিক কোর্সের উদ্বোধন প্রভাষক উৎপল কুমার সরকারকে সহ সারাদেশে শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় দিনাজপুরে বাশিস নেতৃবৃন্দের ক্ষোভ ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্্েরাহের ১৬৭তম দিবস পালন উপলক্ষে ৭ দফা বাস্তবায়নের দাবীতে দিনাজপুরে ৪টি সংগঠনের যৌথভাবে বিভিন্ন কর্মসুচী পালন চিরিরবন্দরে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ১ ঘোড়াঘাট পৌরসভার বাজেট ঘোষণা অতিবৃষ্টিপাতে দিনাজপুরের নদীর পানিতে নিম্মাঞ্চল প্লাবিত \ আত্রাই নদীর পানি বিপদসীমার উপরে প্রবাহিত দিনাজপুরে কিং ব্রান্ড সিমেন্টের হালখাতা অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারীদের সাথে সংলাপ অনুষ্ঠানে সিভিল সার্জন এলাকার জনপ্রতিনিধিদের স্বাস্থ্য বিভাগের সেবা কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে আটোয়ারীতে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্ণামেন্টের উপজেলা পর্যায়ে ফাইনাল খেলা

ইউক্রেন যুদ্ধ : পুতিন বনাম বাইডেন কে এগিয়ে ?

ঠাকুরগাঁও সংবাদ ডেস্ক : / ৬ বার পঠিত
প্রকাশের সময় | শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০২২

ইয়াহিয়া নয়ন

ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধে পুতিনের প্রতিপক্ষ এখন জো বাইডেন। মি.বাইডেন ন্যাটো এবং ইউরোপের মুখোপাত্র হয়ে উঠেছেন। বাইডেন যা বলছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টও তাই বলছে, তাই করছেন। আর এই যুদ্ধটা যতোটা না অস্ত্রবাজির তার চেয়ে অনেক বেশী অর্থনীতির।
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ চলছে। শুরুতে প্রচার প্রচারণায় যেমনটা মনে হয়েছিল বর্তমানে বাস্তবতায় পরিস্থিতি তার বিপরিত। এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। খাদ্যশস্যের দাম বেড়েছে। ভুগছে অনেক দেশ। রাশিয়ার হাতে এক কোটি টন গম রয়েছে। যা সে রফতানি করছেনা। কারণ, তার ওপরে পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা। রাশিয়া বলেছে, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলেই সে গম বিশ্ব বাজারে ছাড়বে।
গণমাধ্যমে আরো খবর এসেছে যে, রাশিয়া ইউক্রেনের যে প্রদেশগুলো দখল করেছে। সেখানকার খাদ্যপণ্য এবং আরো কিছু পণ্য বিদেশে রফতানি করছে। সেইসাথে নিজের দেশের তেল নতুন নতুন বাজারে বিক্রি করে তার অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে ফেলেছে। যুদ্ধে রাশিয়ার অর্থনীতির কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু ইউক্রেন তার অনেক এলাকা হারিয়েছে। অনেক সেনা পরাজয় বরন করেছে। অর্থনীতি বলতে তার আর কিছুই নেই। আমেরিকা অস্ত্র দিবে, ইউরোপ অস্ত্র দিবে তাই নিয়ে সে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। অবস্থাটা এখন এমন।
শুরুতে যুদ্ধে রাশিয়া কীভাবে ইউক্রেনের হাতে নাস্তানাবুদ হয়েছে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো সমানে তা প্রচার করে গেছে। পাশাপাশি পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞায় রাশিয়া কেমন বিপর্যয়ে পড়েছে তাও ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে বেশ গুরুত্ব পেয়েছে। তবে যুদ্ধ যত পুরোনো হচ্ছে, পশ্চিমা গণমাধ্যমের লেখায়ও বেশ বড় পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা রাশিয়ার বিরুদ্ধে যে নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, তা কী আদৌ কাজ করছে? প্রধান মিডিয়াগুলোই এখন বলছে, রুশ অর্থনীতি আঘাতপ্রাপ্ত হলেও সেটি মোটেই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে না, বরঞ্চ পশ্চিমা দেশগুলোও এখন ভুগতে শুরু করেছে।
যুদ্ধের প্রথম থেকেই ‘ঘোস্ট অব কিয়েভ’ কিংবা ‘স্নেক আইল্যান্ড ১৩’ এর মতো ঘটনা প্রচার হয়েছে। ইউক্রেনীয়দের মনোবল বৃদ্ধিই ছিল এসব গল্প তৈরির উদ্দেশ্য। তবে এখন পশ্চিমা গণমাধ্যম তাদের রিপোর্টের ধরনে পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে। যুদ্ধে আসলে কে জিতছে এবং রাশিয়ার অর্থনীতি আসলে কতটা ভুগছে তা নিয়ে উঠে আসছে বিভিন্ন রিপোর্টে। আবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের একতরফাভাবে ইউক্রেনকে সমর্থন দেয়া উচিৎ কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠে আসছে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায় বৃটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের ইকোনোমিক এডিটর ল্যারি এলিয়টের একটি লেখার কথা। তার ওই লেখার শিরোনাম ছিল, ‘রাশিয়া অর্থনৈতিক যুদ্ধে জিতে যাচ্ছে এবং পুতিন শিগগিরই সেনা প্রত্যাহার করছেন না’। এতে এলিয়ট বলেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে গত তিন মাস ধরে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে পশ্চিমা বিশ্ব। অথচ পশ্চিমাদের পরিকল্পনা কাজ করছে না। বরঞ্চ পরিস্থিতি উল্টো তাদের জন্য খারাপ হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা যে কাজ করছে না তার প্রমাণ হিসেবে এলিয়ট মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইউক্রেনকে রকেট পাঠানোর ঘোষণার বিষয়টি উল্লেখ করেন। অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ব্যর্থ হওয়ায় পশ্চিমাদের সামনে এখন একমাত্র আশা, ইউক্রেনকে অত্যাধুনিক সামরিক প্রযুক্তি দেয়া হলে হয়তো রাশিয়া পিছু হটতে বাধ্য হবে। অর্থাৎ, অর্থনৈতিক যুদ্ধে যা অর্জন করা সম্ভব হয়নি, সেটি অর্জনে এখন সামরিক পথ বেছে নিচ্ছে পশ্চিম।
গত ৩০শে মে গার্ডিয়ানের কলামিস্ট সাইমন জেনকিনসও রুশবিরোধী নিষেধাজ্ঞা নিয়ে একই কথা বলেছেন। গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক লেখায় তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের এখন নিষেধাজ্ঞার কথা ভুলে যাওয়া উচিৎ কারণ এটি ভালোর চেয়ে খারাপই করছে। নিষেধাজ্ঞা দিলে রাশিয়া সেনা প্রত্যাহারে বাধ্য হবে এমন চিন্তা কতটা অযৌক্তিক, তা সাইমনের লেখায় উঠে এসেছে। তবে তিনি ইউক্রেনকে অব্যাহত সমর্থন দিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। পাশাপাশি রাশিয়ার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার কথাও বলেন তিনি। এগুলোকে তিনি ইউরোপের জন্য আত্মঘাতী এবং নির্মম বলে আখ্যায়িত করেন।
গত তিন মাসে বাংলাদেশের মিডিয়াতে প্রকাশিত সংবাদগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়ায় বিশ্বে তেল ও খাদ্যশস্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এতে রাশিয়ার আয় কমার থেকে উল্টো বাড়ছে। কিন্তু এসব নিষেধাজ্ঞার কারণে ইউরোপে গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। আফ্রিকার দেশগুলো খাদ্য ঝুঁকিতে পড়েছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা তুলে ইউক্রেনকে সাহায্য করে যাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন আমাদের দেশের অনেকেই।
অপরদিকে, গত ২৬শে মে ওয়াশিংটন পোস্টের একটি রিপোর্টে ইউক্রেনের সেনাদের দুরাবস্থার কথা উঠে আসে। দিনে একটি আলু খেয়ে ইউক্রেনীয় সেনারা কীভাবে যুদ্ধ করছে সেটি প্রকাশ করা হয় ওই রিপোর্টে। এতে জানানো হয়, সেভেরোদনেতস্কের কাছে একটি ইউক্রেনীয় ইউনিট অর্ধেকেরও বেশি সেনা হারিয়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়। তবে ওয়াশিংটন পোস্টের সঙ্গে কথা বলায় ওই ইউনিটের সদস্যদের পরে ‘রাষ্ট্রদ্রোহের’ অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।
যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনের বিপর্যয়কর অবস্থার কথা উঠে এসেছে টেলিগ্রাফের ডিফেন্স এডিটর কন কাফলিনের লেখায়ও। তিনি যদিও নিয়মিতভাবে রাশিয়ার পরাজয়ের ভবিষ্যতবাণী করে আসছিলেন। তবে এখন তিনি বলছেন, ইউক্রেনকে আরও অস্ত্র না দিলে মস্কো যুদ্ধে জয়ী হতে পারে। এছাড়া তার সর্বশেষ লেখায় তিনি বলেছেন, পশ্চিমা বিশ্ব যেভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছে তাতে পুতিন ইউক্রেনে জয় পেতে দ্বিতীয় আরেকটি সুযোগ পেয়েছেন।
এদিকে দ্য ইকোনোমিস্ট আরও প্রায় এক মাস আগেই জানিয়েছিল যে, নিষেধাজ্ঞার প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়িয়েছে রাশিয়ার অর্থনীতি। কিন্তু উল্টো পশ্চিমা বিশ্বকে এখন জ্বালানী সংকটের সঙ্গে লড়তে হচ্ছে। তাদের জীবনযাত্রার খরচ বাড়ছে এবং রেকর্ড মুদ্রাস্ফীতি দেখা যাচ্ছে। রাশিয়ানদের গ্যাস সংকট দেখা যাচ্ছে না, যাচ্ছে মার্কিনিদেরই। গত ১৯শে মে নিউ ইয়র্ক টাইমসের এডিটোরিয়াল বোর্ড এক কলামে লিখেছে, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের নিশ্চিত জয় কোনো ‘বাস্তবিক লক্ষ্য’ নয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উচিৎ জেলেনস্কিকে বলা যে, যুক্তরাষ্ট্র কতখানি সাহায্য করতে পারবে তার একটা সীমা আছে। বাইডেন এরই মধ্যে বলে ফেলেছেন, আলোচনার টেবিলে ইউক্রেনকে কিছু জায়গা ছাড় দিয়ে হলেও একটা মীমাংসায় আসতে হবে, নিজের দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা যে ক্রমশ নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে এটা তো তাঁর বুঝতে বাকি নাই। তাই বাইডেনের সুর নরম। বলতে গেলে পিছিয়ে পড়েছেন তিনি।
ইইউ রাশিয়া থেকে প্রতি বছর ২৫ শতাংশ জ্বালানি তেল আমদানি করে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কারণে অঞ্চলটি বর্তমানে অন্যান্য জ্বালানি তেল উত্তোলন দেশগুলোর দিকে ঝুঁকছে। এর মধ্যে তালিকায় শুরুর দিকে আছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও ইরান। বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন এ নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজ আন্তর্জাতিক বাজারে খুব কমই প্রভাব ফেলবে।
আটলান্টিক কাউন্সিলের জ্বালানি নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ জন রবার্টস বলেন, জ্বালানি তেলের বাজারে কোনো সমস্যা দেখা দেয়নি। কারণ জ্বালানি তেলের বাজার খুব সহজে পরিবর্তনশীল। এর অর্থ হলো এটির জাহাজীকরণ বা পরিবহন আটকে রাখার সুযোগ নেই। একটি উৎসেঘাটতি দেখা দিলে অন্য উৎস থেকে সরবরাহ আসবে স্বাভাবিকভাবেই।
এটা আমরা সবাই বুঝি যে, জ্বালানি তেলের জাহাজীকরণ খুব সহজে পরিবর্তনশীল। নানাভাবেই এটি করা যায়। কিন্তু গ্যাস পরিবহনের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ঠিক এর উল্টো। আপনি যদি রাশিয়ান জ্বালানি তেল না কেনার সিদ্ধান্ত নেন, তবে আপনি অন্য দেশ থেকে চাহিদা মেটাতে পারেন। এটি উন্মুক্ত বাজার। যদি তারা (ইইউ) রাশিয়ান জ্বালানি তেল কিনতে না চায়, তবে সৌদি আরব, নাইজেরিয়া কিংবা উত্তর আফ্রিকার দেশগুলো থেকে কিনতে পারে। এটি বিশ্ববাজারে। এখানে যেখান থেকে পাওয়া যাবে, সেখান থেকেই জ্বালানি তেল কেনা সম্ভব।
অন্যদিকে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কাটাতে ইউরোপের পরিবর্তে অন্য আমদানিকারক দেশগুলোয় জ্বালানি তেল বিক্রি বাড়িয়েছে রাশিয়া। এক্ষেত্রে এগিয়ে চীন। তারপরে ভারত এবং পাকিস্তান। আমরা জানি রাশিয়া বাংলাদেশকে জ্বালানি তেল কেনার প্রস্তাব দিয়েছে। চীন আর ভারত যখন কিনছে,তখন বাংলাদেশও নিশ্চয়ই কিনবে। এভাবেই বাড়ছে রাশিয়ার নতুন বাজার। যুদ্ধে তার অর্থনীতির ক্ষতি কতোটা হলো ?
চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমস এর রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশটি গত মাসে ৪ কোটি ৩০ লাখ ৩০ হাজার টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করেছে। এটি মার্চের তুলনায় ৪ শতাংশ বেশি। শুধু তাই নয়, জানুয়ারির চেয়েও আমদানি বেড়েছে।
ইইউর রাশিয়ান জ্বালানি তেল খাতে নিষেধাজ্ঞা বড় কোনো সমস্যা নয়। হাঙ্গেরিকে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তে না রাখা বড় সমস্যা। দেশটি রাশিয়ান জ্বালানি তেলের ওপর এতটাই নির্ভরশীল যে তেল আসা বন্ধ হয়ে গেলে অর্থনীতিতে ধস নামবে। হাঙ্গেরির মতো আরো কয়েকটি দেশের জন্য আমদানির পথ খোলা রাখা হয়েছে।
যুদ্ধে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের উত্থান-পতনে এ নিষেধাজ্ঞা খুবই সামান্য ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে মুনাফার হার বৃদ্ধি, লকডাউনসহ নানা বিষয় বাজারে প্রধান নির্দেশকের ভূমিকা পালন করছে। জ্বালানি তেলের দাম কমছে। এ পরিস্থিতিতে উত্তোলন সীমিত করবে কিনা সে বিষয়ে নন ওপেক দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা করছে ওপেকভুক্ত দেশগুলো।
রাশিয়া যতদিন পর্যন্ত ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করবে না, ততদিন ইউরোপের দেশগুলো রাশিয়াকে নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে গ্রহণ করবে না। ধীরে ধীরে অঞ্চলটি রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ও রাজনৈতিক সম্পর্ক আরো গুটিয়ে নেবে বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা।
এতোদিনে এটা পরিস্কার যে,রাশিয়া যুদ্ধে নেমে নিজে যেমন কিছু শিখেছে,শত্রুদেরও কিছু শিখিয়েছে। এই শিক্ষাটা উভয় পক্ষের কাজে লাগবে।
লেখক : সাংবাদিক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই জাতীয় আরো সংবাদ
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!