হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি\ জুলাই গনঅভ্যত্থানে অংশ নিয়ে শহীদ হন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মাদ্রাসার ১০ম শ্রেণির ছাত্র আশিকুল ইসলাম। মৃত্যুর এক বছর পরও সন্তান হারানো বেদনা ভুলতে পারছেন না স্বজন ও তার পরিবার। ছেলের হত্যাকারীদের দ্রæত বিচার নিশ্চিতের দাবী তাদের। ইতি মধ্যে শহীদ আশিকুলের নামে রাস্তা নির্মান করা হয়েছে। এছাড়াও সব ধরনের সহযোগীতার আশ্বাস উপজেলা প্রশাসনের।
জানা যায়, আশিকুলের স্বপ্ন ছিলো বড় হয়ে সরকারি চাকুরি করে গরীব পরিবারকে কষ্ট থেকে উদ্ধার করার। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। কিন্তু সেই স্বপ্ন দু:স্বপ্নে পরিনত হয় দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের নরহরিপুর গ্রামের শহীদ আশিকুলের। ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই রামপুরা বনশ্রীতে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে পুলিশের গুলিতে প্রাণ দিতে হয় তাকে। সন্তান হারিয়ে পাগল প্রায় তার পরিবার। সন্তানের স্মৃতি কিছুতেই ভুলতে পারছেন না তারা। বুকে চাপা কষ্ট নিয়ে চেয়েছেন সন্তান হারা বিচার। শহীদ আশিকুলের পরিবারের পাশে সরকার যেন থাকে সেই অনুরোধ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
শহীদ আশিকুলের বাবা বলেন, আমার ছেলে দেশের জন্য জীবন দিয়েছে। দেশ থেকে স্বৈরাচার বিতারিত করেছে। যাদের জন্য আমার ছেলে শহীদ হয়েছে তাদের বিচার চাই আমরা। সেই সাথে সকল শহীদদের মর্যাদা দিয়ে অসহায় পরিবারগুলোর পাশে থাকবে সরকার এমনটাই চাওয়া।
এদিকে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বহাী অফিসার আশরাফুল হক বলেন, শহীদ আশিকুলের নামে ইতি মধ্যে রাস্তা নির্মান করা হয়েছে এবং কিছু আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। এছাড়াও সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগীতা করা হবে।