Monday , 20 May 2024 | [bangla_date]

দাবদাহে স্বস্থি গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর

দাবদাহের এই সময়ে ঐতিহ্যের মাটির ঘরে এসির শীতলতা। ডিজিটাল এ যুগেও দিনাজপুরের অনেক গ্রামে এখনও গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের মাটির ঘরের কদর কমেনি। এখনও দেখা যায় বিলুপ্তপ্রায় নজর কাড়া মাটির একতলা কিংবা দোতলা মাটির বাড়ী। এই গরমে বিদ্যুত না থাকলেও মাটির ঘরে রয়েছে স্বস্থি বললেন বসবাসকারীরা।
মাটির বাড়িগুলো বাইরে থেকে সাদামাটা মনে হলেও ভিতরে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে রং তুলির আঁচড়ে অপরূপ সৌন্দর্য। বিভিন্ন ধরনের আলপনা দিয়ে করা রয়েছে সুসজ্জিত। মাটির ঘর যাদের আছে তারা প্রতিবছরই মাটির প্রলেপ দেয় কিংবা রং-বেরংয়ের নকসা-আলপনা একেঁ দৃষ্টিনন্দন করে তোলে। অনেকে আবার চুনকামসহ বিভিন্ন রংও করেন। বাড়ীর দেয়ালের নক্সা প্রথম দেখলে অনেকের ওয়াল পেপার বা টাইলস্ বলে ভ্রম হতে পারে।অথচ এসব নক্সা কোন পেশাদার কারিগর বা শিল্পী’র হাতের নয়, বাড়ি’র মা-বোনেদের মনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা শৈল্পিক স্বত্ত¡া দিয়ে নিজ হাতে তা ফুটিয়ে তুলেছেন। তবে এখনও দিনাজপুরের বিরামপুরের খানপুর ইউপির ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি সাঁওতাল অধ্যুষিত ধানজুড়ি এগ্রামে শতাধিক বসতঘরের অধিকাংশই নক্সা আর রংয়ের আলপনায় ঐতিহ্য মাটির বাড়ি দেখা যায়। অনেক পর্যটক এদিকে এলে এই সাজানো গ্রামটি দেখতে ভিড় করেন।
এক সময় এ মাটির ঘর ঠান্ডা বলে অনেকে এটাকে গরীবের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরও বলা হতো। গরমের সময় আরামদায়ক। তাই অনেক গ্রামে বিত্তশালীদেরও দোতলা মাটির ঘর ছিল। অনেক গ্রামে এখনও রয়েছে।তবে মাটির ঘর দেখা গেলেও আগের সেই ধান-চাল রাখার জন্য মাটির তৈরী গোলা ঘর ও কুঠি আর দেখা যায়না। অবশ্য দিন দিন মাটির ঘরও কমতে শুরু করেছে।
সদরের মহররমপুরের গাজী সুলতান জানায়, দিনাজপুরে সামপ্রতিক বন্যাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে এসব মাটির ঘরের বেশিরভাগ হয় ভেঙ্গে গেছে, না হয় ফেটে গেছে। আবার আধুনিকতার ছোয়ার অনেকে হয়তো চেষ্ঠা করছে মাটির ঘর আর না। মাটির সহজলভ্যতা, এর প্রয়োজনীয় উপকরন আর শ্রমিক খরচ কম হওয়ায় মাটির তৈরী ঘর বানাতে আগ্রহী।
আউলিয়াপুর গ্রামের মোসাদ্দেকসহ কয়েকজন জানায়, সাধারনত এটেল বা আঠালো মাটি দিয়ে পানির সঙ্গে মিশিয়ে কাদায় পরিনত করা হয়। এরপর ২০/৩০ইঞ্চি চওড়া দেয়াল তৈরী করা হয়। প্রতিটি ঘর তৈরীতে মাসখানেক সময় লেগে যায়। কারন একেবারে দেয়াল তোলা যায় না। কিছু দেয়াল তোলার পর শুকাতে হয়। ১০/১৫ফুট উচু দেয়ালে কাঠ বা বাশের সিলিং তৈরী করে তার উপর খড় বা চিনের ছাউনি দেয়া হয়। অনেকে বাশ, মাটি, টিন সংগ্রহ করে নিজেরাই মাটির ঘর তৈরী করেন। এক্ষেত্রে সময় বেশী লাগে। তবে খরচ কম পড়ে। শ্রমিক না নিলে কমপক্ষে ১৬/২০ হাজার টাকা খরচ হয়। এই মাটির ঘর ভুমিকম্প বা বন্যা না হলে এর স্থায়িত্ব শতবছরও হতে পারে বলে তারা জানায়।
ধানজুড়ি গ্রামের হেমব্রমসহ অনেকেই বলেন, ধানজুড়ি গ্রামের সব বাড়িই মাটি দিয়ে তৈরি। আমাদের জনগোষ্ঠির পূর্বপুরুষদের আমল থেকেই এ মাটির বাড়ি নির্মাণ করে আসছি এবং এখনও মাটির বাড়িতে আছি। ইটের বাড়ির চেয়ে মাটির বাড়িতে বেশি আরাম।

সর্বশেষ - ঠাকুরগাঁও

আপনার জন্য নির্বাচিত

বীরগঞ্জ ডায়াবেটিস এন্ড ফুট কেয়ার সেন্টারে সাংবাদিকবৃন্দের সাথে আলোচনা সভা

ঝোপঝাড়ে মলত্যাগ সংবাদ প্রকাশে’ রাণীশংকৈলে ৩০ পরিবার পাচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাড়ী

বীরগঞ্জে ঝড়ে পড়া ট্রলিভর্তি সরকারী গাছ চোরাইভাবে পাচারের সময় জব্দ

হরিপুরে শিশু মেলার উদ্বোধন ও আলোচনা সভা

পঞ্চগড়ে চার ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ, পুর্নবহালের দাবি

দিনাজপুর পৌর এলাকার ইমামদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন

সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গড়তে শিল্পকলা একাডেমীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন

কাহারোলের সাবেক সাংসদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক সরকারের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

আমরা বিপদে আছি রাণীশংকৈলে আজ প্রতিক কাল ভোট

জেলা প্রশাসককে বিদায়  জানালো এমবিএসকে

জেলা প্রশাসককে বিদায় জানালো এমবিএসকে