Thursday , 17 April 2025 | [bangla_date]

কাহারোলে ঢেপা নদীতে আবাদ হচ্ছে বোরো ধান

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার মধ্যে দিয়ে ঐত্যিহাসিক কান্তজীউ মন্দিরের পূর্ব পাশ্বে দিয়ে বয়ে যায়ো ঢেপা নদী। কিন্তু কালের বিবর্তনে ভরাট হয়ে ঢেপা নদীর প্রাণ বিলিনের পথে। নাব্য সংকটে নদীর বুকে আবাদ হচ্ছে নানা ধরনের ফসল। অস্থিত হয়ে পড়ে এই নদী এক সময়ের খরো স্রোতা নদীর বুকে দেখা দিয়েছে সবুজ ফসলের মাঠ। শুকনো মৌসমে পানি নেই বর্ষা মৌসমে এই নদী আবার দুই কুল ছাপিয়ে দুরদশার কার হয়। বর্ষার পানি ধারন ক্ষমতা নেই এত করে মৌসুমে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। নদীটি খননের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, ঢেপা নদী এক সময় অনেক স্রোত ছিল। দূর-দুরান্ত থেকে বড় বড় নৌকা, টলার ও নৌ-যান চলাচল করতো। কিন্তু সময়ের বির্বতনে হারিয়ে গেছে এগুলো। নদীতে পানি দেখা যায় না। বর্ষা কালে যতটুক পানি আসে সেটা অল্পদিনের মধ্যে শুকিয়ে যায়। বর্তমানে নদীতে আবাদ হচ্ছে রোরো ধান , ভূট্রা সহ বিভিন্ন ফসল।
নদীর পাড়ে জেলে পল্লী যখন নদীতে পানি ছিল জেলেরা দিন রাত নদীতে মাছ ধরতো। জেলে পল্লীর রতন জানান, আগে আমাদের গ্রামের লোকজন নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নিরবাহ করতো। এখন নদীতে পানি নেই মাছ ও নেই। আমরা পেশা বদল করেছি।
সুন্দরপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নাসিরুল বলেন, আগে নদীতে সরার বছর পানি থাকত এখন শুকিয়ে গেছে। নদীতে আবাদ হচ্ছে বিভিন্ন ফসল।
এব্যাপারে দিনাজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ– জানান, ঢেপা নদীর খনন কাজ চলছে। ইতি মধ্যে নদীর দুই পাড় বালু উঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ - ঠাকুরগাঁও

আপনার জন্য নির্বাচিত

দিনাজপুরে আইডিয়াল একাডেমির আয়োজনে অভিভাবক সমাবেশ, মতবিনিময় সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গীতে বঙ্গবন্ধুর ১০৩তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন

রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষিকা বুবলী

পীরগঞ্জে ইয়াবা সহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

বিজ্ঞান শিক্ষায় এগিয়ে যাচ্ছে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি

রাণীশংকৈলে ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিলে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের হিড়িক

রাণীশংকৈলে পুজা উদযাপন প্রস্তুতি সভা

বীরগঞ্জে কালভার্ট যেন মরণ ফাঁদ,ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

চাঞ্চল্যকর ধর্ষণের চেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামী গ্রেফতার

অরবিন্দ শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ভালো সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে অরবিন্দ শিশু হাসপাতাল ভূমিকা রাখছে